বিয়ানীবাজারে শিশুকে হত্যা, গুমের চেষ্টা

প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ণ, জুন ৮, ২০২০

বিয়ানীবাজারে শিশুকে হত্যা, গুমের চেষ্টা

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি

সিলেটে পারিবারিক প্রতিহিংসায় প্রাণ হারালো আরিফ হোসেন নামে আড়াই বছরের শিশু। আপন চাচি তাকে হত্যার পর মরদেহ ঘরের ভেতর বাথরুমে পানির ড্রামে কম্বল দিয়ে মুড়িয়ে রাখেন।
অবশেষে রোববার (০৭ জুন) সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি এদিন সকালে ঘটলেও আপন চাচা রুনু মিয়ার ঘরের বাথরুমে গুম করে রাখা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার হয় সন্ধ্যায়।
নিহত শিশু ওই গ্রামের খসরু মিয়ার ছেলে। এবং ঘাতক সুরমা বেগম খসরু মিয়ার সহোদর রুনু মিয়ার স্ত্রী।
গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পারিবারিক বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন থেকে দুই ভাই পৃথক বসবাস করছেন। রোববার সকালে হঠাৎ করে শিশু আরিফ নিখোঁজ ছিল। তার খোঁজে মসজিদে মাইকিং করা হয়। পুকুরে ফেলা হয় জাল। আশপাশের বাড়ি, এমনকি ঝোঁপ ঝাড়েও খোঁজ করে মিলেনি আড়াই বছরের শিশু আরিফ হোসেনকে। অবশেষে তার মরদেহ মিললো আপন চাচার ঘরের বাথরুমের একটি পানির ড্রামে কম্বলে মোড়ানো অবস্থায়।
এলাকার লোকজন বলেন, আরিফের খোজে যখন সবাই অস্থির। তখন তার আপন চাচি সুরমা বেগমের আচরণ সকলের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। এক পর্যায়ে প্রতিটি বাড়ির ঘর তল্লাসী নামে নিহত শিশুর চাচার ঘর তল্লাসী করতে গেলে সুরমা বেগম স্বীকার করে গাছের ডাল দিয়ে মাথায় আঘাত করে শিশুটিকে তিনি হত্যা করেছেন।
হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টায় বাথরুমে পানির ড্রামে কম্বল দিয়ে মুড়িয়ে রাখেন। তার দেখানো মতে আরিফের মরদেহ ঘরের বাথরুম পাওয়া যায়।
পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং জনতার হেফাজতে থাকা ঘাতক সুরমা বেগমকে আটক দেখানো হয়।
সিলেটের বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি থানা থেকে অনেক দূরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল