বৈশাখ এলেই কদর বেড়ে যায় মাটির হাড়ি পাতিলের – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

বৈশাখ এলেই কদর বেড়ে যায় মাটির হাড়ি পাতিলের

প্রকাশিত: ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০১৬

বৈশাখ এলেই কদর বেড়ে যায় মাটির হাড়ি পাতিলের

07বৈশাখ এলেই কদর বেড়ে যায় মাটির তৈরি হাড়ি পাতিলের। ক্রেতারা খোঁজে বেড়ান মাটির আসবাবপত্র। যেনো বৈশাখ এলেই রবী ঠাকুরের আহ্বান শুনতে পায় বাঙালি- ‘ফিরে চল মাটির টানে’।

বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী শেষ হতে চলছে চৈত্র মাস। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ। দিনটি পালন করতে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছেন অনেকে। ব্যক্তি থেকে সংগঠন পর্যায়ে এ উৎসব পালনে কম বেশি সবারই এখন ব্যস্ততা।

পুরাতন কে বিদায় জানাতে নতুন বছরকে বরণের এ পরবে অন্যতম অনুসঙ্গ মাটির তৈরী হাড়ি, পাতিল। তাই এসময়টায় কদর বারে কুমার শিল্পের সাথে জড়িতদের।

সিলেটে সুরমা নদীর তীরে সারদা হল সংলগ্ন এলাকায় বিক্রি হয় মাটির তৈরি জিনিসপত্র। এখানে ৭ জন দোকানি ফুটপাতে বিক্রি করেন এসব হাড়ি পাতিল।

সারা বছর তেমন বেচা বিক্রি না থাকলেও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এখানকার দোকানিদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি।

এখানকার ব্যবসায়ীরা জানান, এবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রং তুলির আছড়ে সাজানো প্রতিটি মাটির কলসের দাম ৮০ টাকা, পাতিল প্রতিটি ৩০ টাকা, কুলা প্রতিটি ১০০ টাকা, ডালা প্রতিটি ৮০ টাকা, ছিকা ১০ টাকায় বিক্রি করবেন বলে জানান দোকানীরা।

বৃহস্পতিবার সারদা হল এলাকায় গেলে এখানকার মাটির হাড়ি পাতিল বিক্রেতা লাহিন আহমদ জানান ‘ ইবার চাহিদা কম, নাইলে আমরা অন্য বছর মাল বেছিয়া বর পাইনা।

লাহিনের বাবা আবদুল কাদিরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অখনও আরম্ভ অইছে না বৈশাকর কিনা কাটা ‘।

পাশের দোকানী অমূল্য নাথ অনেকদিন ধরেই সারদা হলের দেয়াল ঘেসে মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল বিক্রি করেন। তিনি জানান, এবারের বৈশাখের বেছাকেনা এখনো শুরু হয়নি। তবে এক – দুইদিনের মধেই বেচা বিক্রি শুরু হবে বলে আশা তার।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল