মনিরুজ্জামান মিঞা র মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

মনিরুজ্জামান মিঞা র মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক

প্রকাশিত: ২:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৬

মনিরুজ্জামান মিঞা র মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক
13450877_10205032978024308_3354803447710920337_nঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ।
সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মরিরুজ্জামান মিঞা ।মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
সোমবার দুপুরে চেয়ারপারসনের মিডিয়া ইউংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মনিরুজ্জমানের মৃত্যুতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম থালেদা জিয়া ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  শোক জানিয়ে তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন বলেও জানান শায়রুল।
মনিরুজ্জামান মিঞা ১৯৯০ সালের ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯২ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি সরকারের সময় তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরিয়ে সেনেগালের রাষ্ট্রদূত করা হয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য  এবং খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি ছিলেন অকৃতদার।
দীর্ঘদিন তাকে তার ভাইয়েরা কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার সম্পত্তি দখলের জন্য এটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। দৃশ্যত এ কারণে দীর্ঘদিন তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
ভারতের মুর্শিদাবাদে ১৯৩৫ সালে জন্ম নেয়া অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা মৃত্যুর আগে বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ীর (রোড নং ২/এ, বাড়ি নং ১৩) জামান ভিলার তৃতীয় তলায় নিভৃতে বসবাস করেছেন।
পাঁচ ভাই-এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তার বাবা মোদ্দাছের হোসেন ছিলেন স্কুল শিক্ষক, মা আনোয়ারা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। পরে তার পরিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় স্থায়ী হয়।
অধ্যাপক মনিরুজ্জামান কৃঞ্চ গোবিন্দ হাই স্কুল থেকে এসএসসি, রাজশাহী কলেজ থেকে বিএসসি পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসসি করেন। জগন্নাথ কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৬১ সালে উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য প্যারিসে যান। ১৯৬৬ সালে প্যারিস থেকে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে যোগদান করেন। ১৯৯০ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৯২ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০১ প্রণয়ন কমিটিতে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এটিকে মনিরুজ্জামান মিঞা শিক্ষানীতি বলা হয়। পরবর্তীতে তিনি ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ও সেনেগালের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চিরকুমার। যৌবনে পরিবারের সদস্যরা চেষ্টা করলেও তিনি বিয়েতে রাজি হননি। পরে ১৯৯০ সালে বিয়েতে আগ্রহী হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল