“মুফতি শাহ সদরুদ্দিন ” হেফাজতের কমিটিতে নেই? ভক্তদের ক্ষোভ?  – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

“মুফতি শাহ সদরুদ্দিন ” হেফাজতের কমিটিতে নেই? ভক্তদের ক্ষোভ? 

প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২০

“মুফতি শাহ সদরুদ্দিন ” হেফাজতের কমিটিতে নেই? ভক্তদের ক্ষোভ? 
লন্ডন থেকে সাজ্জাদঃ বৃটেনের মুফতি শাহ সদরুদ্দিন হেফাজতের নব গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে না রাখায় লন্ডনে ভক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন । মুফতি শাহ সদরুদ্দিন হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের সভাপতি, বৃটেনে তিনটি মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস, স্পষ্ঠভাষী বক্তা ।বৃটেনে তাঁর হাত ধরে হেফাজত প্রতিষ্ঠিত হলেও নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির কোন পদে তাঁর নাম না থাকায় অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ।মুফতি সদরুদ্দিন আন্দোলন ও সংগ্রামের এক ত্যাগী ও সাহসী বীর।২০১৩ সালে বৃটেনে হেফাজতের আন্দোলনে গণ সম্পৃক্ততা ও গণজাগরণ সৃষ্ঠিতে তাঁর ভূমিকা অনন্য । সরকারের মামলা ও দেশে কঠিন পরিস্থিতিতে উলামায়ে কেরাম নিরব ভূমিকার সময়েও তিনি হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের সভাপতি হিসেবে দু: সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন । মুফতি সদরুদ্দিন প্রতিটি সভায় তার বক্তব্য শুনে লোকেরা আন্দোলিত হতো। নাস্তিক মুরতাদ এবং স্বৈরাচার ও ইসলাম বিরোধীদের প্রতিটি বক্তব্যের চুলছেরা বিশ্লেষণ করে তত্ব উপাথ্য দলিল সহকারে যুক্তি দিয়ে প্রতিবাদ করছেন। ইসলামী আন্দোলনের বৃহত্তর ঐক্যের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর মুফতি শ্হ সদরুদ্দিন। আল্লামা আহমদ শফি রহঃ এবং আল্লামা জুনায়েদ বাবু নগরীর অর্পিত আমানত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আদায় করে গেছেন । তাঁর বিরুদ্ধে শাপলার শত্রু একটা বড় দল তাকে হত্যা করা বা থামিয়ে দেয়ার জন্যে হিটম্যান ভাড়া করেছিল । অষ্ট্রেলিয়া ভিত্তিক নাস্তিক সংগঠন এসোসিয়েসন ফর এক্স মুসলিমস আই টি ভি কে দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এক ঘন্টার ডকোমেন্টারী তৈরী করে প্রচার করেছে ।এটি ছিল তাঁর চলার গতি থামিয়ে দিতে আর তাকে সমাজে উগ্র ও সন্ত্রাসী হিসেবে উপস্থাপনের এক ঘৃন্য অপ প্রয়াস । তিনি এর কোন কিছুরই তোয়াক্কা করেন নি । কিন্ত গত ১৫ নভেম্বর হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হলে অনেক নতুন মুখ অন্তরভূক্ত হলেও মুফতি শাহ সদরুদ্দিনকে কমিটিতে রাখা হয়নি ।কেন? এ প্রশ্ন আজ অনেকের ।বৃটেনে যাদের শ্রমে ঘামে হেফাজত প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে তাদের মত লোককে বাদ দিয়ে কমিটিতে নতুন মুখের অন্তর্ভুক্তি হয়েছে যারা একসময় হেফাজতের চেতনার বিপরীতে সরকারের সাথে লিয়াজোঁ রক্ষা করে চলেছেন । মুফতি শাহ সদরুদ্দিনকে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ সভাপতি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবী করছেন অনেকেই । উল্লেখঃ ,কাজের মানুষকে বাদ দিয়ে শুধু কমিটিতে পদবী নেয়ার জন্যে যারা আজ ভীড় জমিয়েছেন তাদেরকে দিয়ে কমিটি হতে পারে ; কিন্তু হেফাজত অচিরেই সরকার সমর্থক ও সুবিধা প্রত্যাশী কোটারীদের দ্বারা নতুন সংকটের ঘুর্ণাবর্তে পতিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল