মুহিতকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য : তোপের মুখে আবারোও নেতিবাচক মন্তব্য করলেন মুক্তাদির!

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২২

মুহিতকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য : তোপের মুখে আবারোও নেতিবাচক মন্তব্য করলেন মুক্তাদির!

মুহিতকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য : তোপের মুখে আবারোও নেতিবাচক মন্তব্য করলেন মুক্তাদির!

সৈয়দ রাজু

সিলেটের কৃতিসন্তান, সাবেক অর্থমন্ত্রী, সিলেট-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে নিয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

ফেসবুকে সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি মুক্তাদিরকে ‘গণধোলাই’ দেওয়ারও ঘোষণা প্রদান করা হয়েছে। এই অবস্থায় খন্দকার মুক্তাদির আরেকটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আগের মন্তব্যের স্বপক্ষে ‘সাফাই গেয়ে’ একটি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।

দ্বিতীয় স্ট্যাটাসে মুক্তাদির বলেন- ‘‘সদ্য প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সম্পর্কে আমার শোকবানীটি হয়ত কারও কারও মন:পুত হয়নি। একটু মনযোগ দিয়ে পড়লেই দেখবেন শোকবানীটির মধ্যে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান হয়েছে, তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে। অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণ প্রাতিষ্ঠানিক, ব্যাক্তিগত নয়। জনাব মুহিত আমার চাচার সহপাঠী ছিলেন,আমরা পারিবারিক পর্যায়ে যখন তাঁর সম্মন্ধে আলোচনা করি বা করতাম তখন মুহিত চাচাই সম্বোধন করি, তাঁর সাথে আমাদের পরিবারের দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক, সে কারনে তাঁর কাছে প্রত্যাশাও ছিল বেশি। এটিত কোন অমূলক কথা নয়, যে সরকারের তিনি অংশ ছিলেন সেই সরকারের সম্পর্কে আমার উল্লেখিত কথা গুলি দেশে এবং বিদেশে ব্যাক্তি পর্যায়ে -রাস্ট্রীয় পর্যায়ে বহুবার উচ্চারিত হয়েছে, এমনকি সাম্প্রতিক কালেও উচ্চারিত হয়েছে। আর তাঁর অর্থনৈতিক নীতি আমার শুধু না অনেক দেশ বরেণ্য অর্থনীতিবিদের মনপুত হয়নি, আর যে দূর্নীতিগ্রস্থ প্রকল্পের কথা বলা হচ্ছে সে গুলি কোন ব্যাক্তি দূর্নীতি না, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। পারমানবিক বিদুৎ প্রকল্প সহ অনেক গুলি প্রকল্প সেই সময়ে গৃহীত হয়েছে যেগুলির উপযোগিতা এবং প্রকল্পের মূল্যমান নিয়ে গভীর প্রশ্ন রয়েছে৷ কিন্ত কেউই জনাব মুহিতের ব্যাক্তিগত সততা নিয়ে প্রশ্ন নিয়ে তুলেনি এবং সেটি তোলার অবকাশ আছে বলেও আমার মনে হয়না। তিনি একজন দার্শনিক স্বভাবের হাসি খুশী মানুষ ছিলেন। এটিও সত্য তাঁর অনুসৃত অর্থনৈতিক নীতি প্রশ্নবিদ্ধ হলেও এত বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী একজন মুহিত সাহেব খুঁজে পাওয়া যাবেনা। আল্লাহ তাকে মাগফেরাত দান করুন।’’

এর আগে ‘Khandakar Muktadir’ নামক ফেসবুক পেইজ থেকে (এ রিপোর্ট লেখার সময় থেকে) ৯ ঘণ্টা আগে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দেওয়া একটি পোস্টে বলা হয়- ‘‘জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ তাঁকে বেহেশত নসিব করুন এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। জনাব মুহিত ছিলেন কলেজ জীবনে আমার চাচার সহপাঠী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ছিলেন ভোটার বিহীন জবর দখলকারী একটি সরকারের অংশ, যে সরকার ইলিয়াস আলী সহ অন্তত চারজন সিলেটি এবং সারাদেশে কয়েকশত গুমের জন্য অভিযুক্ত, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাকালীন তাঁর অনুসৃত ভুল অর্থনৈতিক নীতি এবং একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্প ও ক্রয় প্রস্তাব পাশের দায় এই জাতির পরিশোধ করতে হবে বহু বছর ধরে। তাঁর স্মৃতির সাথে এই পীড়াদায়ক বাস্তবতা জড়িয়ে থাকবে বহুদিন। তাঁর মাগফেরাতের জন্য দোয়া করি।’’

বিএনপি নেতার এমন নেতিবাচক মন্তব্যকে ‘অনুচিত’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন সবাই। খন্দকার মুক্তাদিরের পোস্টের নিচে কমেন্ট বক্সগুলোতেই তার সমালোচনায় মেতে উঠেছেন মানুষ। সমালোচনাকারীরা এই পোস্ট ডিলেট করে সিলেটবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তাদিরের প্রতি।

খন্দকার মুক্তাদির ‘কুলাঙ্গার’, গণধোলাইয়ের হুমকি যুবলীগের

প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২২

খন্দকার মুক্তাদির ‘কুলাঙ্গার’, গণধোলাইয়ের হুমকি যুবলীগের

খন্দকার মুক্তাদির ‘কুলাঙ্গার’, গণধোলাইয়ের হুমকি যুবলীগের

মুহিতকে নিয়ে বিএনপি নেতার স্ট্যাটাসে ক্ষোভ

 

সৈয়দ রাজু :

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যুতে তার জন্মভূমি সিলেটসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষ এই কৃতিসন্তানের মৃত্যুতে শোকাহত। সিলেট-১ (সদর-মহানগর) আসনের সাবেক এমপি মুহিতের মৃত্যুতে সিলেট একজন ভালো মানুষ ও অভিভাবককে হারাল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিএনপি নেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের স্ট্যাটাস নিয়ে ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য খন্দকার মুক্তাদির তার ফেসবুক আইডি থেকে মুহিতের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তাদির প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিতের অনুজ বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা মুহিতের মৃত্যুর পর খন্দকার মুক্তাদির ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। জনাব মুহিত ছিলেন কলেজজীবনে আমার চাচার সহপাঠী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ছিলেন ভোটারবিহীন জবরদখলকারী একটি সরকারের অংশ, যে সরকার ইলিয়াস আলীসহ অন্তত চারজন সিলেটি এবং সারাদেশে কয়েকশত গুমের জন্য অভিযুক্ত। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাকালীন তার অনুসৃত ভুল অর্থনৈতিক নীতি এবং একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্প ও ক্রয় প্রস্তাব পাসের দায় এই জাতির পরিশোধ করতে হবে বহু বছর ধরে। তার স্মৃতির সাথে এই পীড়াদায়ক বাস্তবতা জড়িয়ে থাকবে বহুদিন। তার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করি।’

এই স্ট্যাটাসের জন্য তাকে প্রকাশ্যে গণধোলাই ও সিলেট থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দিয়েছে সিলেট মহানগর যুবলীগ। বিএনপি নেতা খন্দকার মুক্তাদিরকে ‘কুলাঙ্গার’ আখ্যায়িত করে তার স্ট্যাটাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর যুবলীগ সভাপতি আলম খান মুক্তি ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে খন্দকার মুক্তাদির যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কখনো তা করতে পারেন না। খন্দকার মুক্তাদির দেশবাসী ও সিলেটবাসীর হৃদয়ে আঘাত করেছেন মন্তব্য করে তারা বিএনপিকে মানসিক বিকারগ্রস্তদের সংগঠন বলে উল্লেখ করেন।

তারা বলেন, খন্দকার মুক্তাদির কুলাঙ্গার খন্দকার মোশতাকের উত্তরসূরি। অবিলম্বে ‘কুলাঙ্গার’ মুক্তাদিরকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে সিলেটবাসী ও দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবি জানান মহানগর যুবলীগ নেতারা।

এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে অনেকে ফেসবুকে খন্দকার মুক্তাদিরের বিতর্কিত স্ট্যাটাসের নিচে নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে মন্তব্য করেন। তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার মধ্যে ফেসবুকে পূর্বের বিতর্কিত মন্তব্যের পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন মুক্তাদির। প্রথম স্ট্যাটাসকে ‘শোকবাণী’ হিসেবে অভিহিত করে দ্বিতীয় স্ট্যাটাসে অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণ প্রাতিষ্ঠানিক সমালোচনা বলে দাবি করেন তিনি। মরহুম মুহিতের কাছে প্রত্যাশা বেশি থাকার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি সরকারের নীতি ও দুর্নীতির সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি মুহিতের ব্যক্তিগত সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বা তোলার অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেন এই বিএনপি নেতা। তাতেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি।

সিলেট রেডক্রিসেন্ট’র সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান জামিল লিখেছেন- ‘মুক্তাদির সাহেব! আপনি তো ভাল বাপের সন্তান, ভালো পরিবারে জন্ম আপনার। কিন্তু ভাবতে অবাক লাগে ক্ষমতার লোভ এতটাই যে একজন মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির ব্যাপারে এমন মন্তব্য! সত্যিই ভাবতে অবাক লাগে কতোটা নিচু মনের মানুষ হলে এমনটা বলা যায়??’

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম নবেল তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন- ‘আদর্শিক বৈপরিত্য থাকলেও আপনাকে একজন জ্ঞানী, সজ্জন, ভদ্র ও ডায়নামিক মানুষ হিসেবে জানতাম। আপনার কাছ থেকে এমনটা আশা করিনি। শুধু আমি নয়, সিলেটের কেউই এটা আশা করেনি।’
সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের আরেক নেতা মাহমুদ হোসেন- ‘জনাব অন্ধকার মুক্তাদির ।মন সুন্দর করেন আপনার দুনিয়াও আরো সুন্দর হবে।আপনাকে সিলেটি ভাবতেও খারাপ লাগছে।রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে কিন্তু মৃত্যুর পর……… মিঃ অন্ধকার মুক্তাদির।’

ফেঞ্চুগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক ফরিদ উদ্দিন আজমানি লিখেন- ‘আপনারাও তো ক্ষমতায় ছিলেন জাতির কি উদ্ধার করছেন? আর অবৈধ সরকার? হু তো আপনার কি ছিড়ছেন? অবৈধ সরকারের দেশে বাস করেন কেন? বাস করতে ঘৃনা লাগে না? একজন শিক্ষিত মানুষ হয়েও একজন মৃত মানুষ নিয়ে এভাবে রাজনীতি না প্যাচালে হয় না? নীতি দেখান? এসব বলতে হলে উনি জীবিত থাকতে আওয়াজ করে দেখতেন। জনাব খন্দকার সাহেব- আবুল মাল আবুল মুহিত সিলেটের আবেগের নাম। মনে রাখবেন।’

এম জাকারিয়া আহমেদ নামের একজন লিখেছেন- ‘আপনাকেও একদিন মরতে হবে? বাটপারি বাদ দিয়ে ভালো হবেন এটাই প্রত্যাশা।’

সালাহ উদ্দিন পারভেজ নামের আরেকজন লিখেছেন- ‘ঘৃণা/লজ্জা/নিন্দা! সিলেটের ইতিহাসের এক ঘৃণ্যতম নাম খন্দকার মুক্তাদির। একজন মৃত মানুষ কে নিয়ে আজগুবি ও কাল্পনিক ফেইসবুক স্ট্যাটাস বলে দেয় আপনি কতটা ছোট লোক।সিলেটের বিএনপি নেতা খন্দকার মুক্তাদিরকে একজন ভদ্র পলিটিশিয়ান মনে করতাম। প্রকৃতপক্ষে উনি একজন থার্ড ক্লাস এবং ইডিয়ট টাইপের মানুষ। সিলেটের রাজনীতির সংস্কৃতিতে আঘাত করেছেন। নিকৃষ্ট মন মানসিকতা নিয়ে সিলেট ১ আসনে এমপি হওয়া যায়না।সিলেটের রাজনীতিতে কালো অধ্যায়ের সূচনা করলেন আপনি।শত ধিক আপনাকে।’

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এইচ আর সুমন লেখেন- ‘খন্দকার মোক্তাদির সাহেব আসলেই একজন ছোট লোক, ছোট মনের মানুষ। আল্লাহ হেদায়েত করুক।’

এদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক অর্থমন্ত্রীআবুল মাল আবদুল মুহিত সম্পর্কে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দেয়া কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস অবিলম্বে অবিলম্বে প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়েছে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ বার্তায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নাজমুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ বলেন, ‘খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ করেছেন। আবুল মাল আবদুল মুহিতের মতো সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। তাকে অবিলম্বে সিলেটবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করবে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।’

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল