মোর শূন্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা রে এই পদ্মে ছিল রে যার রাঙা পা আমি হারায়েছি তারে

প্রকাশিত: ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২২

মোর শূন্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা রে এই পদ্মে ছিল রে যার রাঙা পা আমি হারায়েছি তারে

শাহরিয়ার বিপ্লব :: কৃষ্ণকালো বধুয়াকে চাঁদের আলোতে প্রেমের ঘাটের বাঁশি বাজিয়ে খুঁজেছিলেন নজরুল। এই আকুতি। এই হাহাকার। শচীন কর্তা দরাজ গলায় ১৯৪১ সাল থেকে দুই বাংলায় গেয়েই যাচ্ছেন। হাহাকার করা কালজয়ী গান।

মানিক বন্দোপধ্যায় দেবীগঞ্জ আমিনবাড়ির আশেপাশে কেতুপুর গ্রামের সীমানা দিতে পারেননি। ‘কীর্তিনাশা’ বা রাক্ষুসী পদ্মায়
কপিলা ও কুবের মাঝিকে রিক্ত আর শ্রমদাস হিসাবে ফ্রয়েডিয় প্রেমের বাইরে ভাঙ্গাগড়ার জীবনের মধ্যেই কালজয়ী উপন্যাস।

সর্বনাশা পদ্মা নদী

তোর কাছে শোধাই-

তোর কি আর

কুল কিনারা নাই রে–

আব্দুল আলীম ছয়জন মাঝি নিয়ে এখনো উত্তর খুঁজেন ভাটিয়ালী গানে।

সবকিছুর উত্তর দিয়ে দিলেন একলাইনে রক্তের কনার বিদ্রোহের বীজ বিয়ে আরেক রাজনৈতিক অমর শিল্পী।।

“তোমাদের টাকা নেবো না। “

রচিত হলো অন্যরকম কালজয়ী উপন্যাস। অমর প্রেমের সুরেলা গান। বুক হাহাকার পদ্মাপাড়ের সকল আর্তনাদের কাব্যিক জবাবের নাম শেখ হাসিনা।

একজন গীতিকার। একজন সুরকার। একজন ঔপন্যাসিক। একজন কাহিনিকার। শেখ হাসিনা।

জাতির পিতার কন্যা। যাকে চোখ রাঙানো যায় না। যাকে অপমান করে থামানো যায় না। যাকে ঠেকানো যায় না।

যাকে দাবিয়ে রাখা যায় না।।

স্বপ্ন জয়ের সীমানা।

পদ্মা জয়ী হাসিনা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল