যুবলীগ নেতা শামীমের ভাই পালাতক আসামী খালেদ-জুনেদ ও সাহেদ বেপরোয়া

প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২০

যুবলীগ নেতা শামীমের ভাই পালাতক আসামী খালেদ-জুনেদ ও সাহেদ বেপরোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁদাবাজী-জায়গা দখল ও হত্যার হুমকিসহ নানা অপরাধে অপরাধী সিলেট নগরীর ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও শেখঘাট শুভেচ্ছা ২৫০ নং বাসার বাসিন্দা এবং ওয়ার্ড জামায়াতের সাবেক আমীর মরহুম মুহিবুর রহমানের পুত্র শামীম আহমদ ও তার ভাই শাহিন আহমদ, খালেদ আহমদ, শাহেদ আহমদ ও জুনেদ আহমদ। গত ২১ মে রাত আনুমানিক ৩টার নিজবাসা থেকে অস্ত্রসহ ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ও তার ছোট ভাই শাহিন আহমদকে আটক করে র‌্যাব-৯।
শামীম আহমদ ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে শেখঘাটের আলোচিত লাকি হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজী ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা রয়েছে। গত ৩ মে নগরীর কলাপাড়ার দুর্বার-২ নং বাসার হাজী আব্দুল হাফিজের ছেলে শেখঘাটের ব্যবসায়ী আব্দুল আজিম বাদী হয়ে শামীম আহমদ, শাহিন আহমদ, খালেদ আহমদ, শাহেদ আহমদ ও জুনেদ আহমদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। যাহার নং-০৩/১৮৬। তাং-০৩/০৫/২০২০ইং।
তাদের কারাগারে রেখে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন শামীমের ভাই মামলার পালাতক আসামী খালেদ আহমদ, জুনেদ আহমদ ও সাহেদ আহমদ। গত ১৫ জুন সোমবার রাত ১০টায় নাহিয়ান ইন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার গোলাম রাব্বানীর মুঠোফোনে ০১৭১৬৫৪৩৩৬৫ এই নাম্বারে শামীমের ভাই খালেদ তার ব্যবহারিত মুঠোফোন ০১৭১০৭০৮৭৩৬ এই নাম্বার থেকে ফোন করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে। এই বিষয়ে নাহিয়ান ইন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার গোলাম রাব্বানী জানান, হুমকির পর খালেদের নেতৃত্বে ১৬ জুন মঙ্গলবার রাতে খালেদ, জুনেদ, শরিহত উল্লাহ, সাহেদ মিলে নাহিয়ান ইন্টারপ্রাইজের আরেকটি প্রতিষ্ঠান শাহজাদা ট্রেডিংয়ে নদীপথে চাল লুটপাট করার জন্য ২টি নৌকা নিয়ে আসে তারা। এসময় স্থানীয়রা ধাওয়া করলে একটি নৌকা ফেলে তারা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর কাছে আটককৃত নৌকাটি স্থানীয় কাউন্সিলর জিম্মা রাখায় হয়। এর আগে এই খালেদ আহমদ বিভিন্নভাবে তার এই মুঠোফোন থেকে অনেককেই হুমকি প্রদান করেছে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল অনুমানিক ১.৩০ মিনিটে সময় আজিমের পিতার মোবাইল ০১৭১২৮৪৬১১৯ এই নাম্বারে যুবলীগ নেতা শামীমের ভাই খালেদ আহমদ তার ব্যবহারিত মোবাইল ০১৭১০৭০৮৭৩৬ নাম্বার থেকে ফোন করে হুমকি প্রদান করেন।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় কাউন্সিলর সিকন্দর আলী বলেন, প্রথমে স্থানীয়রা নৌকাটি আটকে রাখেন। পরে ঘটনাস্থলে লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল আহমদ পরিদর্শন করতে এলে আমার কাছে নৌকাটি রাখতে বলায় আমি নৌকাটি রাখি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল