যুবাদের জয় মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার: প্রধানমন্ত্রী – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

যুবাদের জয় মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯:২২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০

যুবাদের জয় মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এই জয়কে মুজিব বর্ষের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ জয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। জানিয়েছেন, টাইগার যুবারা দেশে ফিরলে তাদের দেয়া হবে বীরোচিত সংবর্ধনা। সোমবার সকালে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত রবিবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। এই জয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, এই বিশ্বকাপ জয় জাতির জন্য, সবার জন্য মুজিব বর্ষের একটা বিরাট উপহার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত যেখানে পরপর তিনবার না চারবার যেন চ্যাম্পিয়ন তাদের হারানো চাট্টিখানি কথা নয়। সাহস আছে তাদের। আকবর ছেলেটা ওয়ান্ডারফুল। এর আগে আমরা একবার প্যারেড গ্রাউন্ডে সংবর্ধনা দিলাম, আরেকবার পল্টনে দিলাম, সে রকম একটা সংবর্ধনা তাদের আমরা দেব। মন্ত্রিসভার এক সদস্য বিশেষ ছুটি ঘোষণার কথা তুললে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ছেলেরা চারটা বছর প্র্যাকটিস করেছে। এই খুশিতে আমরা আরও এক ঘণ্টা বেশি কাজ করব। ছুটি আবার কী। এই আনন্দে বেশি করে কাজ করতে হবে। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এদিকে নভেল করোনা ভাইরাসের (এনসিওভি) সংক্রমণের হাত থেকে মুক্ত থাকতে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চীন থেকে আর কাউকে আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সরকার। বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এমনটাই জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে ইনফরমালি যতটুকু কথা হয়েছে তাতে আপাতত চীনে আমাদের যারা আছেন, তাদের আনার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে একটা দাবি উঠেছে।

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে যে, তারা যে যুক্তিগুলো দিয়েছে যেমন- খাবারের অভাব, সাপোর্ট পাচ্ছেন না, আসলে তাদের খাবার-দাবারের কোনো অভাব নেই। বরং তাদের সব সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তাই এ মুহূর্তে তাদের আনার কোনো জাস্টিফিকেশন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা ইতোমধ্যে যে চ্যালেঞ্জ- যে বিশেষ বিমানে নিয়ে আসলাম, সেই বিমান এবং বিমানের ক্রু-পাইলট অন্যদেশ এক্সেপ্ট করছে না। তাই আমাদের এ মুহূর্তে পরবর্তী যে লট সেটা আনার জন্য কোনো তরফ থেকে জাস্টিফিকেশন আসেনি। তার কারণে আপাতত সেটা হচ্ছে না, ফর দ্যা গ্রেটার ইন্টারেস্ট অব দ্য নেশন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল