রিজভী আহমেদ ন্যায় বিচার পায়নি: বিএনপি – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

রিজভী আহমেদ ন্যায় বিচার পায়নি: বিএনপি

প্রকাশিত: ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৬

রিজভী আহমেদ ন্যায় বিচার পায়নি: বিএনপি

bnp alalবিএনপির সিনিয়ার যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ন্যায় বিচার পায়নি বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এ অভিযোগ করেন।

নাশকতার পাঁচ মামলায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় রিজভী তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, রুহুল কবির রিজভী জামিন চেয়ে আদালতে আত্মসমার্পন করলে তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে প্রেরন করায় আমরা হতাশ হয়েছি। আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। আমরা আদালতের কাছে সুবিচার প্রত্যাশা করি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন,শ্যামা ওবায়েদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ আউয়াল খান, ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

(পুরো বক্তব্য)

এ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুগ্ম মহাসচিব বিএনপি
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ সর্বাধিক সমৃদ্ধ পোশাক রপ্তানী খাত ঃ
বাংলাদেশ রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা যায়-চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে তৈরী পোশাক রপ্তানীর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭৭ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। কিন্তু প্রকৃত রপ্তানী আয় হয়েছে ২১১ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩.৬০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ৪.৪১ শতাংশ কম।

সদ্য সমাপ্ত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তৈরী পোশাক রপ্তানীতে আয় হয়েছে-২৮০৯ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ৩০৩৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টস পন্যে এই লক্ষ্যমাত্রা আলাদা করে নির্ধারিত হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩.৬০ শতাংশ কমের যে সূচক তা অব্যাহত থাকলে সমৃদ্ধ এই পোশাক রপ্তানী খাত বিপর্যস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। সুতরাং এই ধাক্কা সামলিয়ে ওঠার সঠিক কর্মকৌশল নির্ধারন এখন সময়ের দাবি। সেক্ষেত্রে সরকার পোশাক রপ্তানীকারকগণ এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টরসমূহের বিশেষজ্ঞগণের জোরদার সমন্তিত তৎপরতা একান্ত কাম্য। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেখিয়ে আত্মতুষ্টির দিন খুব বেশী হাতে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না।

সাংবাদিক বন্ধুরা,
আওয়ামী লীগ আমলের অর্থনৈতিক বিশৃক্সখলা, অব্যবস্থাপনা এবং বড়মাপের দুর্নীতির ঐতিহ্য অতীত ও বর্তমান সময়েও বিদ্যমান। ১৯৯৬-২০০১ সময়ে আমরা প্রথম শেয়ার বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিপুল পরিমান অর্থ লুটপাট হতে দেখেছি। যার কোন প্রতিকার বর্তমান আওয়ামী শাসনামলেও হয়নি, বরং এবার আরও তীব্র আকারে প্রকাশ্য দস্যুবৃত্তির মতো লুটপাট শেয়ার বাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সর্বস্তান্ত করে দিয়েছে। বেশকিছু সাধারণ বিনিয়োগকারী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। অথচ আর্থিক খাতে সবচেয়ে বড় অভিভাবক অর্থমন্ত্রী কখনো বলেছেন-“আমি শেয়ার বাজার বুঝিনা” কখনো বলেছেন-“এই খাতে বিনিয়োগকারীরা হচ্ছেন ফটকা কারবারী”। শেয়ার বাজার লুটে নেয়া অপরাধীদের বিচার চাইলে কখনো বলেছেন-“এখানে হাত দেয়া যাবেনা, অতি উচ্চ পর্যায়ের রথি-মহারথীরা জড়িত বিধায় আমি অসহায়”।

সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুরা,
বর্তমান আওয়ামী জোট সরকারের আমলে তাদের অন্ধ সমর্থকরা যেমন পেয়েছেন অনেক নতুন নতুন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, আবার একই সঙ্গে অলিখিতভাবে পেয়েছেন-অর্থ লুটপাটের অবাধ লাইসেন্স। দুর্দশাগ্রস্ত দেশবাসীর আলোচনায় রয়েছে-হলমার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রæপ, সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংকের ন্যায় অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কোটি টাকার উলঙ্গ লুটপাট। এমনকি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ চক্রের হাতে লুট হয়েছে প্রচুর অর্থ। কিন্তু অর্থমন্ত্রী শুধু একটি ক্ষেত্রে লুটে নেয়া অর্থ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন-“চার হাজার কোটি টাকা কোন টাকাই না”।

বন্ধুগণ,
রাবিশ, ননসেন্স কথাগুলো শুনতে শুনতে দেশবাসী হতবাক হয়ে গেলেও সকল আর্থিক খাতের এই রাবিশ কর্মকান্ডের মূল হোতাদের দরজার কাছেও আইনের লম্বা হাত পৌঁছুতে দেখেনি। বরং বিশৃক্সখলা আরো বেড়েছে। আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর নজরদারী করা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরিক্ষায় বর্তমান সরকারের আমলে দেশে বিনিয়োগের পরিবর্তে রাঘববোয়ালরা বিদেশে পাচার করেছেন ৭০ হাজার কোটি টাকারও অধিক। সারাবিশ্ব তোলপাড় করা পানামা পেপারস কেলেঙ্কারীর বাংলাদেশ অংশের ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও তাদের পরিবারের সদস্যগণ।

সরকারী অর্থে গ্রহণ করা সকল মেগা প্রকল্পগুলোতে কিছুদিন পরপরই নিয়মিতভাবে প্রাক্কলিত ব্যয় হাজার হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। কোন কৈফিয়ত তলব যেহেতু নেই, সুতরাং জবাবদিহিতারও প্রশ্ন নেই। নীরবে মহাউল্লাসের সীমাহীন লুটপাটে শুন্য হচ্ছে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় গড়া রাষ্ট্রীয় তহবিল।

বন্ধুগণ,
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রথম এবং সর্ববৃহৎ অর্থলুটের ঘটনা ঘটেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজাভের ডিজিটাল দস্যুতার মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম দিকে পুরো বিষয়টিকেই ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। বিদেশী সংবাদ মাধ্যমের কল্যানে অর্থমন্ত্রী স্বয়ং তথা দেশবাসী প্রথম জানতে পারলো বিস্ময়কর এই ব্যাংক জালিয়াতির খবর। বিপুল পরিমান এই রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুটের কোন কুলকিনারা আজও হয়নি। বরং বাংলাদেশ ব্যাংক একেক বার একেক রকম তথ্য দিচ্ছে। সর্বশেষ নতুন তথ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি বলেছে-অর্থলোপাটকারীরা মোট ৭০টি ভূয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে প্রায় ১৯৩ কোটি ডলার হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিল। অথচ এযাবতকাল তারা পরিসংখ্যান দিয়েছে-৩৫টি ভুয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে এই ডাকাতচক্র ১০০ কোটি টাকা সরানোর চেষ্টা করেছিল।

প্রিয় বন্ধুগণ,
গত ১৫ আগষ্ট ২০১৬, বিশ্বখ্যাত ওয়ালষ্ট্রিট জার্নাল তাদের শিরোনামে স্পষ্ট বলেছে-বাংলাদেশের সাইবার ডাকাতি, অদ্ভুত আবেদন, বেখাপ্পা বানান ভুল, ফেডের দুর্বল তদন্ত। আর ইছাকৃতভাবে দুর্বল এই তদন্ত হচ্ছে আমাদের দেশে। অর্থমন্ত্রী বললেন-“এটা পুকুরচুরি নয়, এটা হচ্ছে সাগরচুরি”। অথচ চোর ধরবার আন্তরিক কোন উদ্যোগ দেশবাসীর কাছে দৃশ্যমান নয়। বরং ১৪ আগষ্ট ২০১৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হলো-ভুয়া সুইফট বার্তার সংখ্যা ৩৫ নয় বরং ৭০ এবং ডাকাতির মোট পরিমান হতে পারতো-১৯৩ কোটি ডলারের মতো।

এখন অর্থমন্ত্রী কি এটুকুই বলেই খালাস হবেন যে, এতো সাগর চুরি নয়, এতো মহাসমূদ্র চুরি। কারণ একাধিকবার প্রতিশ্রæতি দিয়েও তিনি কিন্তু এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আজ অবধি প্রকাশ করেননি। অথচ সুইফট থেকে অফিসিয়ালি অর্থমন্ত্রীর কাছে সেই প্রতিবেদনটি যেমন চাওয়া হয়েছে তেমনি ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি) এর পক্ষ থেকেও প্রতিবেদনটি পেতে চেষ্টা করা হচ্ছে। অজ্ঞাত কারনে সরকার প্রতিবেদনটি জনসমক্ষে প্রকাশও করছেন না, আবার অর্থ ফেরত পাবার ক্ষেত্রেও সহায়তাকারী কোন পক্ষকে সেটা দিচ্ছেন না। তাহলে তো নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, “ডাল মে কুচ কালা হ্যায়”।

বন্ধুগণ,
সংবাদ মাধ্যমে আপনারাই জানিয়েছেন-সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাকে দায়ী করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আপনাদের প্রশ্নের উত্তরেই বলেছিলেন-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হবে। কিন্তু কোথায় গেল সেই আইনী পদক্ষেপ ? মনে রাখতে হবে-গৌরী সেন এর টাকা আর দেশের জনগণের অধিকারভুক্ত টাকা এক কথা নয়।

স্বাভাবিকভাবেই এখন ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে-প্রতিবেদনে যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দায়ী করা হয়েছে, তাহলে রিজাল ব্যাংক-কে কেন দোষারোপ করা হচ্ছে ? ফিলিপাইনের আদালতেও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে নিজ দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে রিজাল ব্যাংক-কে দায়ী করে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা অত্যন্ত কঠিন হবে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অংক দেখিয়ে বেশিদিন এই ঘাটতি চাপিয়ে রাখা যাবে না। ২০১৬-কে প্রধানমন্ত্রী পর্যটন বর্ষ ঘোষনা করেছেন, অথচ পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সরকারী অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন-২০১৬ এর ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ এর ফেব্রæয়ারী পর্যন্ত বিদেশী পর্যটকদের সকল হোটেল বুকিং তারাই বাতিল করেছেন। তৈরী পোশাকের ক্রেতারা বাংলাদেশে আসছেন না, নিকট ভবিষ্যতেও আসার সম্ভাবনা বাতিল করছেন।

প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী বলছেন-মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানীর ব্যাপারে বাংলাদেশ এখনও ধোঁয়াসার মধ্যে আছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশী প্রায় ২০০০ শ্রমিক কর্মহীন অবস্থায় না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

প্রকৃত অর্থনৈতিক অবস্থাটা তাহলে কি ?
সবমিলিয়ে চোরদের রক্ষা করার জন্য বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা প্রতিটি পদক্ষেপে নগ্নভাবে ফুটে উঠেছে। এর পূর্বেও অনেক আর্থিক কেলেঙ্কারীর মূল হোতাদের আইনের আওতায় না এনে আওয়ামী লীগ বরং তাদের সুরক্ষা দিয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার তাদের নেতাদের এবং ভাগবাটোয়ারার অংশীদার বিদেশী কোম্পানীগুলোকে হাজার হাজার কোটি টাকার টেন্ডারবিহীন ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছে এবং এখন দিচ্ছে। তাহলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রথম আবশ্যকীয় শর্ত সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহিতার অবস্থা এখন কি ? দেশবাসীর ভোটাধিকার হরণ করার এই সরকার সেই জবাবদিহিতার কোন প্রমান রাখতে পারেনি। বরং প্রশ্নবিদ্ধ জাতীয় সংসদে বিদ্যূৎ সেক্টরের হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের দুর্নীতি, লুটপাট প্রসঙ্গে “কোথাও কোন প্রতিকার চাওয়া যাবে না” মর্মে ইনডেমনিটি দিয়ে অবাধ লুন্ঠনের অবৈধ লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে।

প্রিয় বন্ধুরা,
স্বৈরাচারী এরশাদের জামানায় ঢাকা মহানগরীর দেয়ালে দেয়ালে অজ্ঞাত কারো যন্ত্রণার সেই স্পর্শকাতর লেখাটি বড় বেশী বেশী আজকাল মনে পড়ে-“বড় কষ্টে আছি-আইজউদ্দিন”। বারবার দু:সহ যন্ত্রণায় শোষিত মানুষরা যেন কোটি কন্ঠে এখন সমস্তরে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে বলছে-“বড় কষ্টে আছি কোটি আইজউদ্দিন”।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল