লাইফ সাপোর্টে নার্গিস : বিক্ষোভে উত্তাল: নিজের ছেলের মত আশ্রয় দিয়ে ছিলেন মা – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

লাইফ সাপোর্টে নার্গিস : বিক্ষোভে উত্তাল: নিজের ছেলের মত আশ্রয় দিয়ে ছিলেন মা

প্রকাশিত: ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০১৬

লাইফ সাপোর্টে নার্গিস : বিক্ষোভে উত্তাল: নিজের ছেলের মত আশ্রয় দিয়ে ছিলেন মা

bodrul-mmmmবিশেষ প্রতিবেদন: ৫ আক্টোবর ২০১৬, বুধবার:: সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতার ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের অবস্থা সংকটাপন্ন। গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচারের পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

এদিকে হামলাকারী বদরুল আলমকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে গতকাল দুপুরে সিলেটের শাহপরান থানায় মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর চাচা আবদুল কুদ্দুস। বদরুলকে শাবি শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বলা হলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, সে ছাত্রলীগের কেউ নয়। তবে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে বিচারের কাঠগড়ায় নেওয়া হবে। হামলাকারী বদরুলের শাস্তির দাবিতে গতকাল বিক্ষোভে উত্তাল ছিল সিলেট। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানেও এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক (পাস কোর্স) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নার্গিসকে গত সোমবার বিকেলে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বদরুল। ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। নার্গিসের মামা ফুটবল রেফারি আবদুল বাছিত জানান, সোমবার রাতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্গিসের প্রথম দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরে রাতে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। নার্গিসের সৌদি প্রবাসী বাবা মো. মাসুক মিয়ার অনুপস্থিতিতে তিনি ও চাচা আবদুল কুদ্দুস সঙ্গে রয়েছেন। তিনি জানান, তিন ভাইয়ের একমাত্র বোন নার্গিস। তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার মোঘলগাঁও ইউনিয়নের হাউসায়।

লাইফ সাপোর্টে নার্গিস :

স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গতকাল সকালে হাসপাতালে ভর্তির পর দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চার ঘণ্টা ধরে তার দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর নার্গিসকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। স্কয়ার হাসপাতালের মেডিসিন অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন জানান, নার্গিসের অবস্থা সংকটাপন্ন। তার মাথায় অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারালো অস্ত্র মাথার খুলি ভেদ করে মস্তিষ্কে আঘাত করেছে। এ ছাড়া দুই হাতে অসংখ্য কোপের চিহ্ন আছে। মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ায় তাকে বাঁচানো কষ্টকর। তার পরও চিকিৎসকদের চেষ্টার কমতি নেই। তিনি জানান, হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. এএম রেজাউস সাত্তারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল নার্গিসের অস্ত্রোপচার করে। এরপর তাকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস হামলাকারী সম্পর্কে জানান, বদরুল ছাত্রলীগ নেতা। বিভিন্ন সময়ে সে তার ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করত। তিনি তার বিচার দাবি করেন।

হাত দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করেন নার্গিস :

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বদরুল নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাচ্ছে। মাথায় বারবার চাপাতি দিয়ে আঘাত করার সময় দুই হাত দিয়ে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন নার্গিস। এর পরও বদরুল তাকে কোপাতে থাকে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আঘাতের ধরন আর ভিডিও ফুটেজের দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে, কোনো আক্রোশ থেকে পরিকল্পিতভাবেই এলোপাতাড়ি কোপানো হয়েছে। হয়তো হত্যার উদ্দেশ্যেই বারবার মেয়েটির মাথা টার্গেট করে কোপানো হয়।

চিকিৎসকরা জানান, নার্গিসের হাতে এলোপাতাড়ি আঘাত দেখে মনে হচ্ছে, সে নিজেকে দুই হাত দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করেছিল। এতে মাথার পাশাপাশি দুই হাতেও আঘাত লেগেছে।

মামলা ও বহিষ্কার :

শাহপরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি জানান, গতকাল নার্গিসের চাচা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে উত্ত্যক্ত ও হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগে বদরুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পর গণধোলাইয়ের শিকার বদরুল বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শাবির অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বষের্র দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র বদরুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মুনিরগাতীর মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে। শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত বদরুল ছাতকের আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে। তাকে শাবির প্রক্টরিয়াল বডির জরুরি বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

শাবির ভিসি অধ্যাপক ড. আমিনুল হক ভূঁইয়া বলেন, কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বদরুল আলমকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদারকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বদরুলের ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‘বদরুল ছাত্রলীগের কেউ নন’:

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন দাবি করেছেন, বদরুল ছাত্রলীগের কেউ নয়। সংগঠনে তার কোনো পদও নেই। গতকাল দুপুরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আহত ছাত্রীকে দেখতে এসে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই দাবি করেন।

অবশ্য সোমবার ওই ঘটনার পর শাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা জানিয়েছিলেন, বদরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক। স্থানীয় ছাত্রলীগ সূত্র বলছে, বদরুল শাহজালাল ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও সক্রিয় ছিল।

ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন বলেন, বদরুল এক সময় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহসম্পাদক ছিল। কিন্তু সে এখন আর পদে নেই। সে স্কুলে শিক্ষকতা করে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেউ চাকরি বা বিয়ে করলে ওই পদে থাকতে পারে না। তিনি এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

শাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সন্দীপন চক্রবর্তী পার্থ বলেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংগঠনে বদরুলের পদপদবিসহ সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আলাদা করে তাকে বহিষ্কারের প্রয়োজন নেই।

শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ :

গতকাল সকালে নগরীর টিলাগড় পয়েন্ট অবরোধ করে বদরুলের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন এমসি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিলেট-তামাবিল সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী হলেও নার্গিস পরীক্ষা দিতে এমসি কলেজে এসেছিলেন এবং সেখানেই হামলার শিকার হন। টিলাগড় পয়েন্টে অবরোধ করে বিক্ষোভের আগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচি থেকে বদরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পরে দু’দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে_ আজ বুধবার কালো ব্যাজ ধারণ ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ সমাবেশ। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি তিন দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে_ মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর, হামলাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত এবং পরীক্ষার হল-কেন্দ্রে যাতায়াতের সময় ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। শাবিতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ ছাড়া আগামীকাল বৃহস্পতিবার নার্গিসের গ্রামের বাড়ি হাউসায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

সিলেটে খাদিজার মায়ের আহাজারি
যাকে নিজের ছেলের মতো আশ্রয় দিয়েছি, সে এ কাজ করল?

সিলেট নগরী থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার মোগলগাঁও ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের একটি গ্রাম হাউসা পূর্বপাড়া। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হাঁটলেই পাওয়া যাবে মাসুক মিয়ার বাড়ি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় লোকজনের ভিড়। ঘরের ভেতর থেকে আসছিল কান্নার শব্দ। খাদিজা বেগম নার্গিসের মা মনোয়ারা বেগম বিলাপ করে কাঁদছেন। তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে এলাকার ছোট ছেলেমেয়েরা। বিকেল ৪টার দিকে এ প্রতিবেদক ঘরে ঢুকতেই

সাংবাদিক পরিচয় জেনে হাউমাউ করে আরও জোরে কেঁদে ওঠেন তিনি। বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমি দুধ-কলা খাইয়ে কালসাপ পুষেছিলাম। যাকে নিজের ছেলের মতো আশ্রয় দিয়েছি, সে এ কাজ করল? সন্তানদের খাওয়ার আগে তাকে খাইয়েছি।’ তিনি জানান, কলেজে যাওয়ার আগে মেয়েকে খাওয়ার কথা বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে নার্গিস মাকে বলেন, ‘আম্মা আমি আইয়া খাইমু।’

মনোয়ারা বেগমের পাশে বসা খাদিজার চাচাত বোন নাদিয়া ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন। নাদিয়া জানান, সারাদিন তারা দু’জন মিলে দুষ্টুমি করতেন। দু’বোন মিলে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখতেন। গত সোমবার থেকে তাদের বাড়িতে বইছে পিনপতন নীরবতা।

সিলেট সেন্ট্রাল কলেজের শিক্ষার্থী নার্গিসের ছোট ভাই সালেহ আহমদ জানান, প্রায় ৭ বছর আগে তাকে এবং তার ছোট ভাইবোনদের বাড়িতে লজিং থেকে পড়াতেন বদরুল। বছর তিনেক আগে জাঙ্গাইল কলেজে তার বোনের সঙ্গে অশোভন আচরণ করায় এলাকার লোকজন বদরুলকে মারধর করে। এর পরও তার বোনের পিছু ছাড়েনি বদরুল। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সালেহ।

আতিকুর রহমান, আবদুল কাইয়ুম, মিলন আহমদ, আবদুল আহাদ, গিলমান আহমদ, সালমান আহমদ, জিয়াউর রহমান, আনোয়ার হোসেন, আবুল হাসনাত_ তাদের প্রত্যেকের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। তাদের কেউ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কেউবা ঘরের ভেতর ঢুকে নার্গিসের মাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে। তাদের কয়েকজন জানায়, লজিং মাস্টার বদরুলকে তারা চেনে। তবে ওই মাস্টার এমন কাজ করবে তা তারা ভাবতেই পারছে না। তারা বদরুলের ফাঁসির দাবি জানায়।

ওই গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শিক্ষা-দীক্ষায় এ গ্রাম অনেকটা পিছিয়ে। কিন্তু নার্গিসদের পরিবারের লোকজন সবাই শিক্ষিত। প্রবাসে থাকা মাসুক মিয়া অনেক কষ্ট করে জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে সন্তানদের পড়ালেখা চালিয়ে নিচ্ছেন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে শাহিন আহমদ চীনে লেখাপড়া করছেন। নার্গিস কলেজে পড়েন। এমন পরিবারের মেয়ের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকার লোকজন।

মোগলগাঁও ইউপির সদস্য তাজিজুল ইসলাম জয়নাল জানান, এলাকার সবচেয়ে ভালো পরিবার মাসুক মিয়ার পরিবার। এ পরিবারের অধিকাংশ সদস্য শিক্ষিত। আর নার্গিসের মতো একটি মেয়ে আমাদের এলাকায় পাওয়া খুব দুষ্কর। এমন মেয়েকে যে কুপিয়েছে তার শাস্তি দিতে হবে।

এলাকার লোকজন এ ঘটনায় হতবাক। তাদের একটাই দাবি_ ফাঁসি দিবে হবে ওই জঘন্য অপরাধীকে। এ ঘটনায় সিলেটজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল