লাইভ অ্যাপে পর্ণগ্রাফির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, সিলেটের সানি সহ গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশিত: ১:৩৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০২২

লাইভ অ্যাপে পর্ণগ্রাফির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, সিলেটের সানি সহ গ্রেপ্তার ৬

ছবি : লাইভ পর্ণ ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা


লাইভ অ্যাপে পর্ণগ্রাফির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, সিলেটের সানি সহ গ্রেপ্তার ৬

অনলাইন ডেস্ক ::

অনলাইন প্লাটফর্মের একটি অ্যাপে লাইভ পর্ণ ভিডিও স্ট্রিমিং পরিচালনা করে আসছিল বিদেশি চক্র। বাংলাদেশ এই অ্যাপের মাস্টার এজেন্ট সিলেটের আবু মুসা ইমরান আহমেদ সানি(পিতা – রফিক মিয়া,ইলেক্টিক সাপ্লাই ,আম্বরখানা,সিলেট)। সারা দেশে মুসার অধীনে কাজ করেন ১২০টি এজেন্সি। এসব এজেন্সির মাধ্যমে ভার্চুয়াল ডায়মন্ড কয়েন বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন মুসা। গত তিন মাসে তার একটি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এই চক্রের মূলহোতা আবু মুসা ইমরানসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। গত বুধবার রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (সিটিটিসি) বিভাগ। গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন- মো. আবু শামা (৪১), ফাতেমা আক্তার (২৪), শায়লা আক্তার (৩৪), শাহ আরমান (২৭), মো. সেলিম (৩৫)। তাদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, ১৭টি সিম কার্ড, ২টি ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই, ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসিপ্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ আন্তর্জাতিক ভিডিও লাইভ প্লাটফর্ম ‘টপ ক্লাস এন্টারটেইনমেন্ট’র মোবাইল অ্যাপ ‘ড্রিম লাইভ’র অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারে। এই অ্যাপ ভারত থেকে পরিচালনা করা হয়। পরে বাংলাদেশে মোবাইল অ্যাপ সাইটটির মূল হোতা আবু মুসা ইমরান আহমেদ সানি ও তার সহযোগীদের শনাক্ত করা হয়।

সিটিটিসিপ্রধান বলেন, গ্রেপ্তার আবু মুসা সারা দেশে ১২০টির অধিক এজিন্সির মাধ্যমে ভিডিও লাইভ স্ট্রিমিং সাইটটি পরিচালনা করে। মুসা ও তার অন্য সহযোগীদের সহায়তায় ভার্চুয়াল ডায়মন্ড ও ভার্চুয়াল গেম কয়েন অবৈধ ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তার ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট স্ট্যাটমেন্ট পর্যালোচনায় গত ৩ মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মুসা জানিয়েছে, প্রাপ্ত টাকার বড় একটি অংশ সে বিদেশে এই চক্রের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ছাড়াও যেসব হোস্টরা ভিডিও লাইভ করেন তাদেরকে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের অর্থ উপহার হিসেবে দিতেন। মুসার অধীনে দেশে প্রায় ১৫ হাজার ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাপের মার্কেটিং করেন।

সুত্র : কালবেলা

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল