লোভা কোয়ারীতে জমাকৃত পাথর সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পলাশের আবেদন – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

লোভা কোয়ারীতে জমাকৃত পাথর সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পলাশের আবেদন

প্রকাশিত: ৯:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

লোভা কোয়ারীতে জমাকৃত পাথর সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পলাশের আবেদন

লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে ইজারাধীন সময়ে উত্তোলিত কোয়ারির সীমানা ও ব্যক্তিগত ভূমিতে স্তুপ আকারে জমাকৃত পাথরগুলো উত্তোলনের সুযোগ দিতে ও পাথর উত্তোলনের পূর্বে এ সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবরে আবেদন করেছে লোভাছড়া পাথর মহালের সাবেক ইজারাদার মস্তাক আহমদ পলাশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি এ আবেদন করেন।

তিনি উলে­খ করেন- ‘হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বিএমডি কর্তৃক ২ বছর মেয়াদের ইজারা মূল্য এবং ভ্যাট ও আয়কর সহ মোট ৪ কোটি ৩৮ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা গ্রহণপূর্বক গত ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মোতাবেক ২ মাঘ ১৪২৫ বাংলা সনে ১৪২৫-১৪২৬ বাংলা সন মেয়াদে কোয়ারিটি ইজারা গ্রহণ করেন মোস্তাক আহমদ পলাশ। ইজারা মূল্য পরিশোধের পরও ৯ মাস পরে অর্থাৎ ২০২০ সালের ১৩ এপ্রিল ইজারা প্রদান করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরজমিনে সীমানা চিহ্নিত করেননি এবং পলাশকে বাস্তব দখলও প্রদান করেননি। এদিকে ২ বৎসরের টাকা জমা দিলেও পলাশকে মৌখিকভাবে ভোগ কর জন্য ১ বছর সময় প্রদান করেন কর্তৃপক্ষ। এমন প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়েও ইজারার গেজেটভূক্ত কিছু মৌজা হইতে তিনি ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন করেন পলাশ।
মোস্তাক আহমদ পলাশ আরো বলেন, লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর বৈশিষ্ট্য হলো নভেম্বর হতে ফেব্র“য়ারি মাস মেয়াদে যখন কোয়ারীতে পানি থাকেনা তখন ছড়া হতে সম্পূর্ণ অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন করে নদীর উভয় পাড়ে সুপ আকারে জমা করে রাখা হয় এবং বর্ষাকালীন সময়ে নদীতে যখন প্রচুর পানি থাকে তখন নৌকা/কার্গো/বলগেট যোগে ওই পাথর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহণ করা হয়। নৌপথ ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে কোয়ারী হতে পাথর পরিবহনের কোন সুযোগ নেই। যখন নদীতে পানি বৃদ্ধি পেল তখন জাতীয় দূর্যোগ মহামারী করােনা ভাইরাসের কারণে আমার ইজারাকালীন সময়ে আমি পাথর পরিবহন করতে পারি নাই। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন নিবেদন করে পাথর সরানোর সময় না পাওয়ায় ন্যায় বিচারের স্বার্থে মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন ১২/২০২০ দায়ের করলে উক্ত রিট আদেশের প্রেক্ষিতে ১৫ জুন পর্যন্ত আমার স্তুপ ও জমাকৃত পাথর পরিবহন করার জন্য আদালত সময় প্রদান করেন। আমি উক্ত সময়ের মধ্যে কিছু পাথর অপসারণ করি। আমার ইজারার মেয়াদকালীন সময়ে উত্তোলনকৃত অনেক পাথর স্তুপ আকারে এখনো জমা রয়েছে, যা আমার বৈধ পাথর।
তাই স্তুপ আকারে জমাকৃত পাথরগুলো উত্তোলনের সুযোগ দিতে ও পাথর উত্তোলনের পূর্বে এ সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে মস্তাক আহমদ পলাশ এ আবেদন করেন।
মস্তাক আহমদ পলাশ জানান, উক্ত আবেদনটি তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের ইমেইল ও পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে প্রেরণ করেছেন। সরাসরি আবেদন জমা দিতে গেলে সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ইমরান হোসেন আবেদন গ্রহণ না করে পরে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করার কথা বলেন।

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল