শাল্লার চার ইউপিতে আওয়ামী লীগের ১৪ ‘বিদ্রোহী’ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

শাল্লার চার ইউপিতে আওয়ামী লীগের ১৪ ‘বিদ্রোহী’

প্রকাশিত: ৯:২২ পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০১৬

শাল্লার চার ইউপিতে আওয়ামী লীগের ১৪ ‘বিদ্রোহী’

up nerbachonসুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৩ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের চারজন দলীয় প্রার্থীর বাইরে ‘বিদ্রোহী’ আছেন ১৪ জন। এ ছাড়া চার ইউপির একটিতে বিএনপির প্রার্থী নেই।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আটগাঁও ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন আবুল কাশেম আজাদ। বিএনপির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন আটজন। তাঁরা হলেন খোরশেদ মিয়া, ফজলুর রহমান, হাজারুল ইসলাম, আবদুর রহমান, জুবায়ের মনির, জাকির হোসেন, সেলিম উদ্দিন ও দবির মনির। এঁদের মধ্যে খোরশেদ মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। অন্যরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
হবিবপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিবেকানন্দ মজুমদার। বিএনপির প্রার্থী শৈলেন্দু কুমার দাস। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুই প্রার্থী হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান সুবল চন্দ্র দাস ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল করিম।
বাহাড়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিধান চন্দ্র চৌধুরী। এখানে বিএনপির প্রার্থী নেই। তবে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন কাজল বরণ চৌধুরী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নরেশ চন্দ্র চৌধুরী। জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র হিসেবেই নির্বাচন করছি। দলীয় প্রতীক নিয়ে একজন নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেননি।’
শাল্লা ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সাত্তার। বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম। এখানে আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল লেইছ চৌধুরী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জামান চৌধুরী।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও শাল্লা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার বলেছেন, ‘বাহাড়া ইউপিতে একেবারে বিএনপির প্রার্থী নেই—এ কথা পুরোপুরি ঠিক নয়; ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে প্রার্থী করা হয়েছে। কৌশলগত কারণেই এখানে জাকির হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।’ তিনি বলেন, শুধু আটগাঁও ইউপিতে বিএনপির একজন বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন। তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের উপজেলা সভাপতি মহিম চন্দ্র দাস বলেন, ‘এটা আমার একার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো বিষয় নয়, যা করি সবাইকে নিয়ে বসেই করতে হবে।’
শাল্লা উপজেলার চার ইউপিতে ২৮ মে ভোট হবে।