শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর পাবনা শাখা দখল ও অর্থ আত্মসাতের ষড়যন্ত্র – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর পাবনা শাখা দখল ও অর্থ আত্মসাতের ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭

শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর পাবনা শাখা দখল ও অর্থ আত্মসাতের ষড়যন্ত্র

পাবনা জুয়েলারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবী করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাদৎ হোসেন লিটন।
বিভিন্ন ভুয়া ফেইসবুক আইডি, আনলাইন পোর্টাল এবং পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে ‘বিশ্বস্ততা অর্জন করে ২৫ ভরি সোনা নিয়ে চম্পট’ এধরনের শিরোনাম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন আমজাদ হোসেন।
শাহাদৎ হোসেন লিটন কুমিল্লা সদরে মুগুলটুলি জামতলার নুরে আলম লিলু’র ছেলে। তিনি শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর’র স্বত্বাধিকারী।
শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর’র কুমিল্লা, পাবনা, সিলেট, ঢাকা মানিকগঞ্জ, ঢাকা সাভার, ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়ায় শাখা রয়েছে।
দীর্ঘ ৯ বছর যাবত বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এই ব্যবসা সততা ও নিষ্ঠার সহিত পরিচালনা করে আসছেন শাহাদৎ হোসেন লিটন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারী মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমজাদ হোসেন সংবাদ মাধ্যমে ও বিভিন্ন সোসাল মিডিয়া মিথ্যা যে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। তা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।
ঘটনা সূত্রে জানা যায় ২০১৩ সালের ২ মে শাহজালাল আধুনিক চেইন ঘর পাবনা শাখার উদ্বোধন করেন শাহাদৎ হোসেন লিটন। যেহেতু তিনি ব্যবসার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে হয় সেই সুবাদে পাবনা শাখা দেখা শুনার জন্য পাবনা জুয়েলারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন’কে ব্যবসার ৫% মুনাফা হারে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে দায়িত্ব প্রদান করেন। সেই চুক্তিতে আরো উল্লেখ ছিলেন ব্যবসা ভাল হলে মুনাফা বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
শাহাদৎ হোসেন লিটনের সাথে আমজাদ হোসেনের এই চুক্তি মাধ্যমে প্রায় ৪ বছর যাবত ব্যবসা চলে আসছিল। কিছু দিন যাবত আমজাদ হোসের ব্যবসায় অবস্থা ভাল দেখে পুরো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এক পর্যায়ে শাহাদৎ হোসেন লিটনের নিয়োজিত শাহজালাল অধুনিক চেইন ঘর পাবনার কারিগর কুমিল্লা মডেল থানা শুভপুর গ্রামের মৃত ছালাউদ্দিন’র পুত্র রুবেল (২৮) ও একই থানার সুজানগর গ্রামের শাহ আলম’র পুত্র রিপন’র উপর পাবনা থানার আরিকপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের পুত্র আমজাদ হোসেন বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করতে শুরু করেন। নির্যাতনের মাত্রা বাড়াতে তিনি ভাড়া সন্ত্রাস দিয়ে মারপিট করেন এবং হত্যার হুমকি দেন যাতে রুবেল ও রিপন দোকান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। আমজাদ হোসেন পাবনা জুয়েলারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জোরপূর্বক প্রভাব বিস্তার করিয়ে মারপিট করে রুবেল ও রিপনকে তাড়িয়ে দেন গত ২১ ফেব্রুয়ারী। সেখান থেকে এসে তাদের মালিক শাহাদৎ হোসেন লিটনের সাথে পরামর্শক্রমে ২৩ ফেব্রুয়ারী আমজাদ হোসেনের নাম ব্যবহার করে কুমিল্লা কতোয়ালী মডেল থানায় নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেন রুবেল ও রিপন। যাহার নং-১৪১১(০২)১৭।
বিষয়টি নিয়ে শাহাদৎ হোসেন লিটনের সাথে আলাপ কালে জানান, আমজাদ হোসেনের সাথে আমার ব্যবসায়ীক চুক্তি রয়েছে। তিনি বর্তমানে যে অপপ্রচার চালিয়ে সংবাদ প্রকাশ করছেন তা শুধু আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করার জন্য। তিনি আরো জানান ব্যবসায়ীক লেনদেনে আমি আমজাদ হোসেনের কাছে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা পাই। সেই টাকা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এধরনের মিথ্যা অপপ্রচার আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মান ক্ষুন্ন করার জন্য এধরনের ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি শাহাদৎ হোসেন লিটনের নিশ্চিত করে জানান, যদি কোন কারিগর স্বর্ণ নিয়ে যায় তা হলে একমাত প্রতিষ্ঠানের মালিক মামলা দায়ের করতে পারেন। তিনি জানান আমি তদন্ত করে দেখেছি শাহাদৎ হোসন লিটনের সাথে আমজাদ হোসেনের যে চুক্তি রয়েছে তা সঠিক। আমার থানায় আমজাদ হোসেন একটি অভিযোগ দাখিল। অভিযোগটি তদন্ত চলছে।

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল