সচরাচর যেখানে ত্রাণ পৌঁছে না, সন্ধানী গেল সেখানে

প্রকাশিত: ১০:৪৮ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০২২

সচরাচর যেখানে ত্রাণ পৌঁছে না, সন্ধানী গেল সেখানে

সিলনিউজ বিডি ডেস্ক :: সন্ধানীর বিগত চারদিন ধরে চলা ত্রাণ-সহায়তা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজকে গোয়াইনঘাটের লামনি এবং কাটলিকুনা গ্রামে যায় সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সিলেটে অবস্থিত ইউনিটগুলো নিয়ে গঠিত বন্যাদুর্গতদের সহযোগিতায় সন্ধানীর ত্রাণ-সহায়তা টিম। দেশজুড়ে সন্ধানীর বিভিন্ন ইউনিট, সন্ধানীর সক্রিয় সদস্য, উপদেষ্টা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় প্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে সন্ধানীর এই কার্যক্রম।

ভয়াবহ বন্যায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ যখন প্লাবিত, মানবসেবার মহান ব্রত নিয়ে চলা সন্ধানী তখন বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোকে স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের কর্তব্যকর্ম হিসেবে নিয়েছে। দুইদিন সিলেট শহরের আশেপাশের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার ও খাবার স্যালাইন বিতরণ এবং গোলাপগঞ্জে একদিন রান্না করা খাবার বিতরণের ধারাবাহিকতায় সন্ধানীর আজকের লক্ষ্য ছিল অপেক্ষাকৃত দুর্গম এবং ত্রাণ-সহায়তা পৌঁছানোর অপর্যাপ্ততা রয়েছে এমন একটি জায়গায় যাওয়া। সে অনুযায়ী কিছুটা সড়কপথে এবং পরবর্তীতে জলমগ্ন পথের বাধা ডিঙ্গাতে কিছুটা পথ নৌকায় করে গন্তব্যে পৌঁছায় সন্ধানীর টিম। গোয়াইনঘাটের বন্যাকবলিত দুইটি গ্রামের প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় সন্ধানীর ত্রাণ-সহায়তার প্যাকেট। প্যাকেটে ছিল খাবার ও প্রয়োজনীয় কিছু সরঞ্জামাদি। সন্ধানীর সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে একেকটি প্যাকেটে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ এবং মোমবাতি, ম্যাচ বক্স, স্যানিটারি ন্যাপকিন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন ও কৃমিনাশক দেওয়া হয়।

সন্ধানীর প্রত্যাশা চলমান ত্রাণ-সহায়তার এই ধারা বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এই কার্যক্রমে যারা সহযোগিতা করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় সন্ধানী। এবং সামনের দিনগুলোতেও এভাবে সন্ধানীর পাশে থাকার আহ্বান জানায় সবাইকে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল