সিলেটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় নিয়ে ক্ষোভ – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

সিলেটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় নিয়ে ক্ষোভ

প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৬

সিলেটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় নিয়ে ক্ষোভ

sylhet logo gasaসিলেটের লোভাছড়া পাথর কোয়ারিতে তিনগুণ হারে আদায় করা হচ্ছে রয়্যালটি। হঠাৎ করে অধিকহারে রয়্যালটি আদায় করা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন তারা। বলেছেন, গত ২০ বছরে ৪০ পয়সা থেকে শুরু করে ১ টাকা ৯৬ পয়সা হয়েছে। অথচ গেজেট প্রকাশ করেই হঠাৎ করে ৪ টাকা ৯৬ পয়সা করা হয়েছে। খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ১ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৮০ পয়সা হারে খাজনা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেটও প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি জেলা কমিটির সভায় লোভাছড়া পাথর কোয়ারি নতুন করে ইজারা দেয়ার প্রস্তাব ওঠে। করা হয় টেন্ডার আহ্বান। টেন্ডারে সরকারি মূল্য ধরা হয় ৬০ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৩ টাকা। টেন্ডার দাখিল করেন পাঁচজন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দর ছিল ৩ কোটি ৩২ লাখ টাক। সর্বোচ্চ দরদাতা মনোনীত হন চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ পলাশ। এরপর তাকে ইজারা প্রদানের জন্য খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করে জেলা প্রশাসন। সুপারিশ প্রেরণের পর মন্ত্রণালয় থেকে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। কিন্তু সর্বোচ্চ দরদাতার বিরুদ্ধে লিজ বুঝে পাওয়ার আগেই খাস কালেকশনের অভিযোগ ওঠে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এএসএম ফেরদৌস বলেন, ‘সর্বোচ্চ দরদাতাকে এখন লিজ হস্তান্তর করা হয়নি। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে খাজনা আদায় হচ্ছে। প্রতিদিনের আদায়কৃত টাকা সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে।’ কানাইঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ‘আমাদের লোকজন খাজনা আদায় করছে। বর্তমানে মৌসুম না হওয়ায় খাজনার পরিমাণ কম। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকার খাজনা আদায় হচ্ছে।’ লোভাছড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যানের লোকজন ১৫ দিন থেকে খাজনা সংগ্রহ করছেন। ১৫ দিন আগে খাজনা ছিল প্রতি ঘনফুট পাথরে ১ টাকা ৯৬ পয়সা। তারা দায়িত্ব নিয়েই ৪ টাকা ৮০ পয়সা করে খাজনা আদায় করছেন। এর সঙ্গে রয়েছে ইউনিয়নের আরো ২০ পয়সা। লোভাছড়া ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইসলাম উদ্দিন বলেন, মিজ উদ্দিন ওরফে মতিসহ তাদের লোকজন বর্তমানে খাস কালেকশন করছেন। খাজনা বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ীরা পাথর মজুত করে লোকসানের মুখোমুখি। তিনি খাজনা কমাতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।