koyeseসিলেট নগরের বৃহত্তর আম্বরখানা এলাকা দিয়ে প্রবাহিত কালনী ছড়া রক্ষায় উঠান বৈঠক করেছেন এলাকাবাসী। গতকাল শুক্রবার সকালে আম্বরখানার মণিপুরিপাড়ার মন্দিরে এই উঠান বৈঠক হয়। এতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
নগরের উত্তরে টিলা ও চা-বাগান এলাকা থেকে দক্ষিণে সুরমা নদী পর্যন্ত প্রবহমান নয়টি ছড়ার একটি কালনী ছড়া। বৃহত্তর আম্বরখানা এলাকার অন্তত ৫০টি মহল্লার নালার পানিনিষ্কাশনে কালনী ছড়া বড় ভূমিকা রাখছে। ছড়াটি মণিপুরি মহল্লার অংশ দখল ও দূষণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে।
উঠান বৈঠকে কালনী ছড়ার বর্তমান ও অতীত অবস্থা এলাকাবাসীর বর্ণনার মাধ্যমে প্রকাশ পেলে করণীয় নির্ধারণ করা হয়। বৃহত্তর আম্বরখানা এলাকাকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে কালনী ছড়াকে দখল ও দূষণ থেকে রক্ষা করতে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে কালনী ছড়ার পানিপ্রবাহ সচল রাখতে প্রশস্ত করা ও খননকাজ চালাতে সিটি করপোরেশনের সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।
আম্বরখানা মনিপুরীপাড়া কল্যাণ কমিটির সভাপতি বেনু ভূষণ ব্যানার্জির সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে প্যানেল মেয়র ছাড়াও এ টি এম মোশাহিদ উদ্দিন, কান্ত সিংহ, পরিমল সিংহ, ছিদ্দিকুর রহমান, প্রমুদ সিংহ, খসরু আহমদ, ধরণি সিংহ, নরোত্তম সিংহ, সমর সিংহ, মিজান আহমদ, সুরেশ সিংহ, এম এ খান সাহিন, ফয়জুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ছড়া রক্ষার স্বার্থে এ রকম উঠান বৈঠক এলাকায় প্রথম হয়েছে জানিয়ে রেজাউল হাসান বলেন, সম্প্রতি দেখা গেছে সামান্য বৃষ্টিতেই ছড়া ও নালাগুলো ভরে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ কারণে জনজীবনে মারাত্মক দুর্ভোগ নেমে আসে। অনেকে আবার পানিনিষ্কাশনের স্থান না রেখে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করায় ছড়াগুলো বন্ধ হয়ে যায়। কালনী ছড়া রক্ষায় ছড়ার আশপাশের জমির মালিকেরা তাঁদের জমি প্রয়োজনে দান করার ব্যাপারেও রাজি হয়েছেন।

Leave a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.