সিলেটে ব্যতিক্রমি কৌশলে দেহ ব্যবসা! – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

সিলেটে ব্যতিক্রমি কৌশলে দেহ ব্যবসা!

প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৬

সিলেটে ব্যতিক্রমি কৌশলে দেহ ব্যবসা!

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ যৌন ব্যবসা বা যৌনকর্ম অপরাধ নতুন কিছু নয়। প্রশাসনের নাকের ডগায় যৌন ব্যবসা চলমান দেশের আনাচে কানাচে। তবে সিলেট নগরী সহ অনেকস্থানেস ভিন্নসব কৌশলে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে যৌন ও নারীদেহের ব্যবসা ।

বিশেষ করে নগরীর লালধিঘীর পার এলাকায় ‘সোনালী’ নামক বিল্ডিংয়ে চলছে রমরমা যৌন ও নারীদেহ ব্যবসা। বিভিন্ন হোটেলের ম্যানেজারের তথ্য মতে, অনেক সময় নগর ও জেলার বাহিরের কলেজের ছেলে মেয়েরা আনন্দ ফুর্তি করার জন্য নগরীর হোটেলে আসে এবং সেই সুত্র থেকেই নারী যৌন কর্মীর সন্ধান পাওয়া যায়। কখনই বা যৌন কর্মী নিজে থেকেই হোটেল ম্যানেজার ও বয়দের সাথে যোগাযোগ করে চলে আসে।
জানা যায়. নারী যৌনকর্মীদের সিংহ ভাগই স্কুল-করেজের শিক্ষার্থী। বাইরের জেলা থেকে সিলেট জেলায় পড়তে আসা মেয়েরা নিজেদের শারিরিীক জৈবিক ও আর্থিক চাহিদা ও যুগের সাথে সমতা বজায় রাখার তাড়নায়ই এই অপকর্মে লিপ্ত হয়ে থাকে।
যৌনব্যবসা সমাজ ও দেশের প্রচলিত আইনে ঘৃনিত হলেও সময়ের স্রোতে যেন ভেসে যাচ্ছে সব অপকর্ম । এব্যবসার সাথে জড়িগতদের বক্তব্য, ‘ বর্তমান প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারনে হোটেলে যৌনব্যবসা তেমন ভাল না। তবে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের মাসোহারা ও উৎকোচ দিয়ে কোন কোন হোটেরে অপকর্মের এ ব্যবসা চলছে বলেও তারা স্বীকার করেন।
অনৈতিক এসব অপকর্মের ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন বলেছেন, মানুষের নৈতিক অবক্ষয় রোধে এ ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ হওয়া একান্ত প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসনও কোন

ব্যবস্থা নিতে পারছে না ঘুসকোর পুলিশের কারনো। গত কয়েক দিন আগে সোনালী ভবনে অভিযান চালায় সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ভবনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৬ যৌনকর্মী ও ১ খদ্দেরকে আটক করা হয়। এছাড়া হোটেল থেকে জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ কনডম, লুব্রিক্যান্ট ও যৌন উত্তেজক ঔষুধ। আটকের পর যৌনকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদে, দীর্ঘ দিন ধরে এই হোটেলে বাণিজ্যিকভাবে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে এবং নগরীর অন্যান্য হোটেলের সাথে তাদের যোগ সুত্র আছে বলে জানা গেছে।
সিলেট নগরীর বিভিন্ন অভিজাত ও খোলা রেষ্টুরেন্ট এখন যৌন মার্কেট। স্কুল কলেজ ও মেডিকরে স্টুডেন্টরা দিতব্যি এসব রেষ্টুরেন্টে আড্ডার পাশপাশি চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। অনেক স্টুডেন্ট তাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় খাবার দাবার ছেড়ে দিয়ে রেষ্টুরেন্টকেই ভরসা হিসেবে বেছে নিয়েছে। ক্লাস ফাকি দিয়ে রেষ্টুরেন্টগুলোতে জমজমাট আড্ডা মেরে ছুক্তিমোতাবেক চলে যায় নির্জনে, হোটেলে- মোটেলে ও পার্কের জঙ্গলে। এভাবেই বহিরাগত ছাত্রীরা সিলেটের সামাজিক ঐতিহ্য বিনষ্টের পাশপাশি পুণ্যভূমি সিলেটকে পাপরাজ্যে পরিণত করে চলেছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও সংবাদকর্মীর নামেও কিছু নারী দেহব্যবসায় জড়িত। মিডিয়ার কর্তব্যক্তিদের ম্রানেজ করে আইডিকার্ড ও একটি ক্যামেরা সংগ্রহ করেই তারা মাঠে নামে দেহব্যসায়। এমন কয়েক যৌনকর্মী সাংবাদিক নামে সিলেটে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যায়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল