সিলেট ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে খালেদের আস্থাবাজান মোহন ও সাঈদের আস্থাবাজান এলিনের ফেইুসবুক পোষ্ট পড়ুন: – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

সিলেট ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে খালেদের আস্থাবাজান মোহন ও সাঈদের আস্থাবাজান এলিনের ফেইুসবুক পোষ্ট পড়ুন:

প্রকাশিত: ৭:৪০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৬

সিলেট ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে খালেদের আস্থাবাজান মোহন ও সাঈদের আস্থাবাজান এলিনের ফেইুসবুক পোষ্ট পড়ুন:

mohionসিলেট ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদের আস্থাবাজান বেলায়েত হোসেন মোহন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদের আস্থাবাজান এলিন শেখ’র ফেইুসবুক পোষ্ট পড়ুন:

১১ই সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ৪ শীর্ষ নেতা গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানালেন দলীয় শৃঙ্খলার স্বার্থে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ অনুমোদিত কমিটি প্রকাশে বিলম্বিত হচ্ছে। যথাসময়ে কমিটি প্রকাশ করা হবে। এখন পর্যন্ত যেহেতু জেলা ও মহানগর ছাত্রদল আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ করেনি সেহেতু বলা যায় সেই যথাসময় এখনো আসেনি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের ঘনিষ্ঠ হিসেবে সর্বজন বিদিত সিনিয়র নেতা যারা আছেন (জুনিয়রদের কথা বাদ দিলাম), যাদের কাজের মধ্য দিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত প্রতিফলিত হওয়ার কথা তারাই পদ/পদবি প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নিজেরা নিজেদের কিংবা অন্য কারও মাধ্যমে নিজেকে অভিনন্দিত করছেন। আমি বিনীতভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাই তাদের এই দাবির ভিত্তি কি? সংশ্লিষ্ট নব মনোনীত নেতাকে তার পদবির দাবির সপক্ষে চ্যালেঞ্জ করা হলে তিনি কিভাবে সেটা প্রমান করবেন? যেহেতু দৃশ্যমান কোন দলিল ছাড়াই পদ/পদবি প্রাপ্তির দাবি তোলাহচ্ছে সেক্ষেত্রে কোন জুনিয়র কর্মী যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেকে সিনিয়র কোন পদে মনোনীত করা হয়েছে বলে প্রচার-প্রচারনাচালায় সেক্ষেত্রে তার দাবি যে সত্য নয় সেটাইবা কিভাবে বলবেন? সেক্ষেত্রে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে এর দায় কে নেবে? এ ধরনের বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দায়ী কারা হবেন?জেলা মহানগর ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা কিংবা নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন যোগ্যতাই আমার নেই। আমি ছাত্রদলের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আপনাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য আশা করি, যারা পদ প্রাপ্তির দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের দাবি সত্য নাকি মিথ্যা? তাদের এই ধরনের দাবির ব্যাপারে আপনাদের অনুমোদন আছে কিনা? সত্যই যদি হয় তাহলে এর সপক্ষে কেন্দ্র সাক্ষরিত লিস্ট কেনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না? আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ ব্যাতিত যে বা যারা যাই দাবি করুক না কেনো সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না কারন এর আগেও গত এপ্রিলে কেন্দ্রীয় সভাপতি /সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত একটি কমিটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে তখনও অনেকে পদ প্রাপ্তির দাবি করে অভিনন্দন বার্তা প্রচার করা শুরু করেছিল যা শেষ পর্যন্ত ভুয়া বলে আপনারা স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন? এখনো যে আবার ভুয়া দাবি তোলা হচ্ছে না সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারে কেবল কেন্দ্র অনুমোদিত কমিটি জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব স্বীকার করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করলে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দের দায়/ দায়িত্ব স্বীকার ব্যাতিত পদ পদবি প্রাপ্তির ঘোষনাটা কেবল মূল্যহীনই না বরং হাস্যকরও বটে।বি: দ্র: কেন্দ্রের অনুমোদন প্রাপ্ত যে কমিটিপ্রকাশ করলে দলে শৃঙ্খলা আনার বদলে উলটো বিশৃঙ্খলা আনবে বলে জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দলিখিত বিবৃতি দিয়েছেন সেই বিশৃঙ্খলার দায় কাঁধে না নিয়ে সবাইকে নিয়ে সরে দাড়ানো উচিত।যদি মনে করেন কমিটিতে শৃঙ্গখলা আনতে আরো কিছু সময় নেয়া উচিত সেক্ষেত্রে অতি উৎসাহী পদবিধারীদের ভিত্তিহীন দাবির বিশৃঙ্খল প্রচারণা বন্ধ করার নির্দেশ দিন। আর যদি দায়িত্ব নিতেই চান সেক্ষেত্রে লুকোচুরি না করে সেটা আদর্শ নেতার মত প্রকাশ্যেই নেয়া উচিত।নেতৃবৃন্দ যারা যে পদবি প্রাপ্তির দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছেন হয়তো আপনি সেই পদটিই পেয়েছেন সত্যিই, হয়তো শীর্ষ নেতৃত্ব মৌখিকভাবে আপনকে সেটা কনফার্মও করেছেন। কিন্তু একটি সংগঠনের সাংগঠনিক যেকোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিশেষ করে কমিটির ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষরিত এবং প্রকাশ ব্যাতিত কোন দাবিই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের ক্ষেত্রে দলিল ব্যাতিত এ ধরনের দাবি হাস্যকর শোনায়, ছাত্রদল কোন অমুক তমুক ভুঁইফোড় সংগঠন না যে নিজেকে সভাপতি সম্পাদক দাবি করে পোষ্টার ছাপিয়ে অনলাইন ভরে ফেললেন।
copy from Elin shekh

১১ই সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ৪ শীর্ষ নেতা গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানালেন দলীয় শৃঙ্খলার স্বার্থে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ অনুমোদিত কমিটি প্রকাশে বিলম্বিত হচ্ছে। যথাসময়ে কমিটি প্রকাশ করা হবে। এখন পর্যন্ত যেহেতু জেলা ও মহানগর ছাত্রদল আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ করেনি সেহেতু বলা যায় সেই যথাসময় এখনো আসেনি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের ঘনিষ্ঠ হিসেবে সর্বজন বিদিত সিনিয়র নেতা যারা আছেন (জুনিয়রদের কথা বাদ দিলাম), যাদের কাজের মধ্য দিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত প্রতিফলিত হওয়ার কথা তারাই পদ/পদবি প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নিজেরা নিজেদের কিংবা অন্য কারও মাধ্যমে নিজেকে অভিনন্দিত করছেন। আমি বিনীতভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাই তাদের এই দাবির ভিত্তি কি? সংশ্লিষ্ট নব মনোনীত নেতাকে তার পদবির দাবির সপক্ষে চ্যালেঞ্জ করা হলে তিনি কিভাবে সেটা প্রমান করবেন? যেহেতু দৃশ্যমান কোন দলিল ছাড়াই পদ/ পদবি প্রাপ্তির দাবি তোলা হচ্ছে সেক্ষেত্রে কোন জুনিয়র কর্মী যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেকে সিনিয়র কোন পদে মনোনীত করা হয়েছে বলে প্রচার-প্রচারনা চালায় সেক্ষেত্রে তার দাবি যে সত্য নয় সেটাইবা কিভাবে বলবেন? সেক্ষেত্রে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে এর দায় কে নেবে? এ ধরনের বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দায়ী কারা হবেন?

জেলা মহানগর ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা কিংবা নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন যোগ্যতাই আমার নেই। আমি ছাত্রদলের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আপনাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য আশা করি, যারা পদ প্রাপ্তির দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের দাবি সত্য নাকি মিথ্যা? তাদের এই ধরনের দাবির ব্যাপারে আপনাদের অনুমোদন আছে কিনা? সত্যই যদি হয় তাহলে এর সপক্ষে কেন্দ্র সাক্ষরিত লিস্ট কেনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না? আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ ব্যাতিত যে বা যারা যাই দাবি করুক না কেনো সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না কারন এর আগেও গত এপ্রিলে কেন্দ্রীয় সভাপতি /সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত একটি কমিটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে তখনও অনেকে পদ প্রাপ্তির দাবি করে অভিনন্দন বার্তা প্রচার করা শুরু করেছিল যা শেষ পর্যন্ত ভুয়া বলে আপনারা স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন? এখনো যে আবার ভুয়া দাবি তোলা হচ্ছে না সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারে কেবল কেন্দ্র অনুমোদিত কমিটি জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব স্বীকার করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করলে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দের দায়/ দায়িত্ব স্বীকার ব্যাতিত পদ পদবি প্রাপ্তির ঘোষনাটা কেবল মূল্যহীনই না বরং হাস্যকরও বটে।

বি: দ্র: কেন্দ্রের অনুমোদন প্রাপ্ত যে কমিটি প্রকাশ করলে দলে শৃঙ্খলা আনার বদলে উলটো বিশৃঙ্খলা আনবে বলে জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন সেই বিশৃঙ্খলার দায় কাঁধে না নিয়ে সবাইকে নিয়ে সরে দাড়ানো উচিত।যদি মনে করেন কমিটিতে শৃঙ্গখলা আনতে আরো কিছু সময় নেয়া উচিত সেক্ষেত্রে অতি উৎসাহী পদবিধারীদের ভিত্তিহীন দাবির বিশৃঙ্খল প্রচারণা বন্ধ করার নির্দেশ দিন। আর যদি দায়িত্ব নিতেই চান সেক্ষেত্রে লুকোচুরি না করে সেটা আদর্শ নেতার মত প্রকাশ্যেই নেয়া উচিত।

নেতৃবৃন্দ যারা যে পদবি প্রাপ্তির দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছেন হয়তো আপনি সেই পদটিই পেয়েছেন সত্যিই, হয়তো শীর্ষ নেতৃত্ব মৌখিকভাবে আপনকে সেটা কনফার্মও করেছেন। কিন্তু একটি সংগঠনের সাংগঠনিক যেকোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিশেষ করে কমিটির ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষরিত এবং প্রকাশ ব্যাতিত কোন দাবিই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের ক্ষেত্রে দলিল ব্যাতিত এ ধরনের দাবি হাস্যকর শোনায়, ছাত্রদল কোন অমুক তমুক ভুঁইফোড় সংগঠন না যে নিজেকে সভাপতি সম্পাদক দাবি করে পোষ্টার ছাপিয়ে অনলাইন ভরে ফেললেন।