সিলেট ৪নং খাদিমপাড়া ৮নং ওর্য়াড লাল মাটিয়া টিলাকাটে ধ্বংশের মুখে পরিবেশ: প্রশাসন নীরব

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২২

সিলেট ৪নং খাদিমপাড়া ৮নং ওর্য়াড লাল মাটিয়া টিলাকাটে ধ্বংশের মুখে পরিবেশ: প্রশাসন নীরব
  বিশেষ প্রতিবেদকঃ সিলেট সদর উপজেলার ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়ন ৮নং ওর্য়াড মোকামেরগুল লাল মাটিযা টিলায় অর্ন্তভুক্ত পীরের বাজার শাহসুন্দর মাজার এলাকায় কোনভাবে থামানো যাচ্ছে না সরকারি জমি ও টিলা কাটা। বন ও পরিবেশ আইন অমান্য করে চিহ্নিত প্রভাবশালী একটি মাটি খেকো চক্র ভুমি খোকো মাটি কেটে বিক্রি করলেও কোন আইনি হস্তকেপ নেই বললে চলে। সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর ও
শাহপরান (রহ.) থানা পুলিশের। অজ্ঞাত কারণে পরিবেশ অধিদপ্তর ও থানা পুলিশের দেখে না দেখার টালবাহানা। নীরব ভূমিকায় সাধারন জনমনে ক্ষোভের ঝড় বইছে এলাকায়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও থানা পুলিশকে উৎকোচ দিয়ে মাটি খেকোরা চালিয়ে যাচ্ছে এমন তান্ডব অভিযোগ প্রকাশ সচেতন মহল। সরজমিন গিয়ে সিল নিউজ বিডি প্রতিবেদক: দেখা যায় চৌধুরীপাড়া গ্রামে একটি বাউন্ডারি লালমাটিয়া মাটি কেটে ভরাট করা হচ্ছে। গত কয়েকদিন থেকে দেখা যায় রাত্রে আধাঁরে স্থানীয়্ সদর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক মোকাগুলের হালুক মিয়া ছেলে মকবুল আলী বিগত জ্বালাও পোড়াঁও মামলার আসামী ও সদ্য আওয়ামীলীগে যোগদানকারী যোগসাজে অবৈধ টিলা কাটার মোকামেরগুল লালমাটিয়া টিলা উজার করা হচ্ছে।এতে পরিবেশ হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। আবাসনের প্রয়োজনে জন্য টিলা মালিকানা ও খাস জায়গা সাবাড় হচ্ছে, স্থানীয় একটি চিহ্নিত মাটি কাটা খেকো চক্র নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সরকারি খাস জমি ও কিছু মালিকানাধীন জমি থেকে তাদের ক্ষমতাবলে প্রায় ৪নং টি হাইড্রেলিক ছোট-বড় ড্রাম ট্রাক দিয়ে প্রকাশ্যে রাত্রে আধাঁরে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস যেনও কারো নেই। সব মিলিয়ে তাদের অনেক দাপট যার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে অনেকে নারাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলে হতে হয় বিভিন্ন মিথ্যা  মামলা ও
হামলার সম্মুখীন। মাটি খেকোরা সরকারি খাস জমি ও মালিকানা জমির কেটে ড্রাম ট্রাক দিয়ে অনায়াসে প্রশাসনের নাকের ডগায় বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। আর প্রশাসন তা দেখেও না দেখার টালবাহানা করছে। যার ফলে সরকারি ও লিজ মালিকানা টিলা কেটে মাটি ব্যবহার হচ্ছে- বাড়ি নির্মাণ, প্লট ভরাট, বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ এবং ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে।প্রতিবছর সরকারি খাস জমির শত একর ফসলি জমির মাটি গাছ কাটা হচ্ছে। যার কারণে দিন দিন অবাধে টিলার পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকিতে পড়ছে। তাছাড়া এই চক্র প্রতিবছর কামিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এই অবৈধ টাকার ভাগভাটোয়ার পাচ্ছেন প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তারাসহ একই সঙ্গে পকেটভারী হচ্ছে স্থানীয় কিছু অসাধু সাংবাদিকদেরও। তবে পুলিশ এসব অস্বীকার করে বলছে ভিন্ন কথা। শুধু রাতে নয় এখন দিনেও কেটেও সাবাড় করা হচ্ছে সরকারি জমি । তবে মোকামেরগুল,উত্তর মোকমেরগুল এলাকায় রাতের সময়কে উত্তম সময় হিসাবে বেছে নিয়েছে মাটি খেকো চক্র। অথচ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর ৬(খ) ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তি মালিকানাধীন পাহাড় বা ভূমি পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া কর্তন বা মোচন করা নিষিদ্ধ। স্থানীয় একাধিক সুত্রে জানা গেছে- সরকারি জমি ও ফসলি থেকে অবৈধ মাটি বিক্রি চালাচ্ছে সহ ১০-১৫  জনের
একটি চিহ্নিত পাহাড় টিলার খেকো চক্র। এই চক্র এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সরকারী বেসরকারী টিলা পাহাড় নষ্ট করে অবাধে চালাচ্ছে মাটি কাটার মহোৎসব। আইন প্রয়োগকারী ।  প্রশাসনের আনাগুনা তাহার দোকানে, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে টিলা কাটা হচ্ছে। এই চক্র প্রতিনিয়ত রাতে বেপরোয়া ভাবে চালাচ্ছে ধ্বংশ করে পরিবেশ বিধ্বংসী করা হচ্ছে। সিলেট শাহপরান ফাঁড়ি থেকে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মোকোমের গুল লালমাটিয়ায়।এই এলাকা বালুচর এলাকা।খাদিমপাড়া মলাইটিলা গিরে ২১১ সালে ও১৬ সালে প্রতিষ্টিত একটি আবসক কোম্পানি। কৃত্রিমভাবে টিলা ধস ঘাটতে চুড়ায় পুকুরসদৃশ গর্ত খনন করা হয়।মলাইটিলায় এনর্ফোসমেন্ট অভিযানে আবসন কোম্পানিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে টিলার চুড়ান্ত গত ভরাট করা হয়েছিল। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়: পাহাড়টিলা উচ্চমূল্য পাওয়া যায় না তাই সমান্তরাল করা হয়।যে আবাসনের প্রয়োজনে টিলা কাটা হচ্ছে,সেই নিরাপদ আবাসভুমির সুরক্ষা দরকার।কেননা ভুমিকম্প প্রবণ সিলেটের জন্য টিলা হচ্ছে প্রাকতিক ডাল। যদি টিলাশ্রেনির ভুমি সঠিক ভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরা নজরে রাখলে টিলা পাহাড় কাটা বন্ধ হয়ে যেতো।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল