সেনা সদস্যদের সুখ-স্বাচ্ছন্দময় জীবন বিএনপি ও জামাতের পছন্দ নয় – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

সেনা সদস্যদের সুখ-স্বাচ্ছন্দময় জীবন বিএনপি ও জামাতের পছন্দ নয়

প্রকাশিত: ৭:১০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

সেনা সদস্যদের সুখ-স্বাচ্ছন্দময় জীবন বিএনপি ও জামাতের পছন্দ নয়

সুজাত মনসুর::
আমার হাতে একটা পোস্টের স্ক্রিনশট এবং ইকোনমিস্টে প্রকাশিত একটা প্রতিবেদনের মূল কপির ফটোকপিএসেছে। পোস্টটি তাসনিম খলিলের, যে কিনা সুইডেনে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আছে এবং নেত্র নিউজ নামে একটা অনলাইন পোর্টাল সম্পাদনা করছে। তাসনিম খলিল তার কর্মগুণে বিএনপি-জামাত তথা তারেক রহমানের একজন পেইড একটিভিস্ট হিসেবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত। যেভাবে পরিচিত ডেভিড বার্গম্যান সহ অন্যান্যরা। এরা একটা চক্র যারা আর্থিকভাবে লাভবান ও আদর্শগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী হওয়ার করার কারনে আওয়ামী লীগ, বিশেষ করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং এদের একটা সংঘবদ্ধ ফলোয়ার্স আছে যারা মূলতঃ বিএনপি-জামাতসহ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির একটি ভিস্ট। এদের সাথে যুক্ত আছে পরোক্ষ কিংবাপত্যক্ষভাবে বাম ঘরানার কিছু রাজনৈতিক দল ও সুশীল নামক নাগরিক সমাজের একটা বিরাট অংশ। এদের উদ্দেশ্য হল যেনতেনপকারে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া। এর আগে জামাত-বিএনপি শেখ হাসিনাকে বহুবার হত্যা করার চেষ্টা করেছে, পারেনি। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেও ব্যর্থ হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহ, হেফাজত আন্দোলন কোনকিছু করেও যখন ব্যর্থ তখন তাদের পুরনো অস্ত্র, পুরনো কৌশল সেনাবাহিনীকে ক্ষেপিয়ে দিয়ে সেনা অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করছে, বিদেশে পালিয়ে থাকা সেনাবাহিনীর কিছু অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাদের পেইড তথাকথিত সাংবাদিক ও অনলাইন একটিভিস্টদের মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক, বানোয়াট, ভিত্তিহীন তথ্যপচার ওপকাশ করে। সর্বশেষ উদাহরণ হল, আল জাজিরায়পচারিত জঞ্জাল। যাকে অনেকেই বস্তাপঁচা কাহিনীর ওপর নির্মিত একটা ডকু-ফিকশন বলে মতামত দিয়েছেন। কিন্তু এবারও তাদের মিশন শুধু ব্যর্থই নয়, আবারও বিএনপি-জামাত এবং তাদের স্বগোত্রীয় বাম ও সুশীলদের রাজনীতির চরম দেউলিয়াত্বেরপমাণ পাওয়া গেল।
ইকোনমিস্টেরপতিবেদনের ওপর আলোচনার আগে দেখে নেই কে এই তাসনিম খলিল, সে সিলেটের সন্তান। তাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি বলে মনে পড়ে না। তবে তার বাবা খলিলুর রহমান কাশেমী ও সৎ চাচা সাংবাদিক আ ফ ম সাঈদকে শুধু চিনি না, একসময় মোটামুটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। খলিলুর রহমান কাশেমী এক সময়ের সিলেটের সাহিত্যাঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি সমীকরণ নামে একটা সাহিত্য সাময়িকী সম্পাদনা করতেন। তাকে আমরা কাশেমী ভাই বলে সম্মোধন করতাম। রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও তার রাজনৈতিক আনুগত্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিরপতি, মোটামুটি নিশ্চিত করেই বলা যায়। যতটুকু জানি তাদের আর্র্থিক অবস্থা স্বচ্ছল ছিল না। কাশেমী ভাই সিলেট নগরীর পৌর বিপনি কেন্দ্রে ‘কিংশুক মুদ্রায়ন’ নামে একটা প্রেসপতিষ্ঠা করেন।
উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের উল্লেখ থাকলেও তাসনিম খলিল কোন স্কুল বা কলেজে পড়েছে এবং সিলেটে কোথায় তার জন্ম তার উল্লেখ নেই। সুইডেনবাসী হওয়ার আগে তাসনিম খলিল ঢাকায় মাহফুজ আনাম সম্পাদিত ডেইলি স্টার-এ সহকারি সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিল। ডেইলি স্টার-এর ম্যাগাজিন ‘ফোরাম’-এপকাশিত তারেক রহমান, ডিজিএফআই এবং জঙ্গি মদদ বিষয়েপতিবেদনপকাশের পর ‘ফোরাম’-এর ঐ সংখ্যাটি বাজার থেকেপত্যাহার করার সাথে সাথে তাসনিম খলিলও ডিজিএফআইয়ের হাতে বন্দি হয়। তার তথ্যমতে, ডিজিএফআই নাকি তার ওপর অনেক অত্যাচার করে। তারপর মুচলেকা দিয়ে ২০০৭ সালের জুন মাসে তাসনিম দেশ থেকে পালিয়ে যায়।
তাসনিম খলিলের সাংবাদিকতা জীবনের শুরু হয়েছিল ক্রাইম রিপোর্টর হিসেবে। সে ক্রাইম রিপোর্টারের জীবনকে বেছে নেওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিল টাকা কামানো। যারা সাংবাদিকতা জগতের সামান্য খরবও রাখেন তারা নিশ্চয় স্বীকার করবেন, ক্রাইম রিপোর্টিং হল টাকা বানানোর একটা অন্যতম সুযোগ। যারা অপরাধ জগতের সাথে যুক্ত তারা চাইবে যত টাকাই লাগুক কোন সংবাদ যাতে প্রকাশ না পায় সে ব্যবস্থা করা। আর সেই সুযোগটাই নেয় তাসনিম খলিলদের মত ক্রাইম রিপোর্টাররা। অপরাধ জগতের বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্যদিকে, তাসনিম খলিল চাচ্ছিলো বিদেশী মিডিয়ার খবর হতে। তাই ১/১১-এর সেনা সমর্থিত তত্ববধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমান ও ডিজিএফআইকে নিয়ে এমন একটাপতিবেদন লেখে ওপকাশ করে যে, ডিজিএফআই ধরে নিয়ে গিয়ে তাকে এমন উত্তম-মধ্যম দেয় যা সে এখনো ভুলতে পারেনি। যদিও সেনাবাহিনী নাকি শেখ হাসিনার শাসনামলে তার উপর অত্যাচার করে বলে বেশ জোরেসুরেইপচার করে। ডিজিএফআইয়ের সেই প্যাদানি তাসলিম খলিলের ভাগ্যের চাকা খুলে দিলেও খলিল তা ভুলতে পারেনি। তাই সে জ্বালা মেটাতে ও অধিক টাকা উপার্জনের ইচ্ছে এবং রাজনৈতিক অবস্থান থেকেই শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এত বিষোদগার।

এবার আসা যাক, ইকোনমিস্টেপকাশিত তথাকথিতপতিবেদনপসঙ্গে, যার উপর ভিত্তি করে ‘স্টেটওয়াচ’ নামক একটা অনলাইন পোর্টাল ‘সেনাবাহিনীর আনুগত্য কিনে নিয়েছেন শেখ হাসিনা’ শিরোনোম আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ১২ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার। তাসনিম খলিল তার ফেইসবুক পেইজে ঐদিনই প্রকাশ করেছে। এইপতিবেদনে আবার আল জাজিরায়পচারিত সেনাবাহিনীপধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে যে প্রতিবেদন নামক যে জঞ্জাল তার কথাও রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলে পাঠক দুইয়ে দুইয়ে চার, এই হিসাব যদি সত্য হয় তাহলে একথা বলতে দ্বিধা নেই, আল জাজিরার প্রতিবেদনের পর ইকোনমিস্টেও প্রতিবেদন আর তাসনিস খলিলের শেয়ার সবই একসুত্রে গাঁথা। উদ্দেশ্য একটাই সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা। এখানে উল্লেখ করাপয়োজন, স্টেটরয়াচ-এর তথ্য অনুযায়ী ইকোনমিস্টেপকাশের তারিখ হল ১১ই ফেব্রুয়ারি। কিন্তু আমার হাতে ইকোনমিস্টের যে একটা ফটোকপি এসেছে তাতে দেখা যায়, প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ১৩ই ফেব্রুয়ারি।পশ্ন হচ্ছে, ইকোনমিস্টে প্রকাশিত হওয়ার আগেই স্টেটওয়াচ আগের দিনের তারিখ দিয়ে প্রকাশ করল কি করে? উত্তরটি খুবই সহজ। আল জাজিরার মত ইকোনমিস্টেও প্রতিবেদনটিও তাসনিম খলিলদের দ্বারা তৈরি ও মোটা অংকের টাকা খরচ করে ্র প্রকাশের ব্যবস্থা করেছে। পাঠক, শুধুমাত্র শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করছে খাম্বা তারেক ও জামাতের লোকজন। কত টাকা চুরি ও দুর্নীতি করে এবং মনোনয়ন বানিজ্য করে কামানো গেলে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করা বিদেশি মিডিয়ায় মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ করা যায়।
ইকোনমিস্টেরপতিবেদনের শিরোনাম দেখে মনে হবে তাতে হয়তো শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে, সেনাবাহিনীর আনুগত্য আদায়ের জন্য। কিন্তু যতই লেখাািটর ভিতওে প্রবেশ করবেন ততই দেখবেন প্রতিবেদনটি আল জাজিজার বস্তাপঁচা জঞ্জালেরই নতুন সংস্করণ, তবে এবার শুধুপধানমন্ত্রী ও সেনাপধানকেই টার্গেট করা হয়নি, পুরো সেনাবাহিনীকেই টার্গেট করা হয়েছে।পতিবেদনটির মূল কথা হল,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেনা সদস্যদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন যাতে সুখ-স্বাচ্ছন্দে কাটাতে পারে সেজন্য বেতন বৃদ্ধিসহ যে সকল সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন, তাকে তারা চিহ্নিত করেছে ঘুষ হিসেবে। তারা যা বোঝাতে চেয়েছে, তাহল শেখ হাসিনা নাকি ঘুষ দিয়ে সেনাবাহিনীর আনুগত্য কিনে নিয়েছেন। সেনাবাহিনীর সদস্যদের সুখ-স্বাচ্ছন্দময় জীবন নিশ্চিত করনে গৃহিত পদক্ষেপগুলোকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা একমাত্র বিএনপি-জামাতের পক্ষেই সম্ভব। কেননা, তাদের তো বাংলাদেশের মাটির সাথে নাড়ীর সম্পর্ক নেই। তাদের শিকড় পোঁতা আছে পাকিস্তানে। তাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জীবন মানের উন্নতি হলে তাদের গাত্রদাহ হয়।
আসুন দেখে নেই তাসনিম খলিল রচিত ও ইকোনমিস্টেপকাশিত প্রতিবেদনটিতে কি লিখেছে? তারা লিখেছে, “ক্ষমতায় দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্য সেনাবাহিনীর আনুগত্য কিনে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্দেশ্যজনকভাবে সেনাবাহিনীকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা এবং বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন”। তারা আরও লিখেছে, ‘সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের কোনো ধরনের হুমকি ছাড়াই শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীর উপর অযথা খরচ বাড়িয়ে চলেছেন। ২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই খরচ বেড়ে ১২৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে সেনাবাহিনী তাদের ব্যবসায়িক মনোভাব ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছেন। এরই মধ্যে তারা বাংলাদেশ আর্মি ওয়েলফেয়্যার ট্রাস্ট এবং সেনা কল্যাণ সংস্থা গড়ে তুলেছেন। সৈন্য এবং প্রবীণদের জন্য গড়া এই দুটি সংগঠন সেনাবাহিনীর স্বতন্ত্র হয়ে কাজ করে কিন্তু পরিচালনা করা হয় কর্মকর্তাদের দিয়ে। সংস্থা দুটির ওয়েবসাইট অনুসারে, সেনা কল্যাণ সংস্থার এই মুহূর্তে ৬০ বিলিয়ন টাকার সম্পত্তি রয়েছে এবং আর্মি ওয়েলফেয়্যার ট্রাস্টের সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেল এবং একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভোটিং মেশিন প্রস্তুত করা হয়।”
সেনাবাহিনী রাষ্ট্র ও সরকারেই অংশ। সুতরাং সেনাবাহিনী, সরকার ও সরকার প্রধানের অনুগত থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। আর সরকারও তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করবে সাধ্যমত। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত হয়েছে। মাথাপিঁচু আর বেড়েছে। মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারিদের সবার বেতন-ভাতাপায় দ্বিগুন হয়েছে। বেসরকারি সেক্টরে সব সময়ই বেতন-ভাতা ভালো ছিল। সে মোতাবেক সেনাবাহিনীর বেতন-ভাতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তো সেজন্য শেখ হাসিনারপতি কৃতজ্ঞ থাকার কথা। বিরূপ হওয়ার তো কোন কারণ নেই। বিরূপ তারাই হতে পারে যারা বাংলাদেশকে নিজের দেশ মনে করে না। তাছাড়া বিষয়টি আমাদের অভ্যন্তরীন বিষয়। ইকোনমিস্টের তো নাক গলানোর কিছুই নেই, স্বপ্রনোদিত হয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা দূরে থাক। তারপরও করেছে। কারণ, তারা এই প্রতিবেদনটিপকাশ করার মাধ্যমে বিএনপি-জামাত তথা তারেক জিয়ার নিকট থেকে মোট অংকের টাকা পেয়েছে বলেই ধরে নেওয়া যায়।
প্র্রতিবেদনটি আরেকটি বিষয় উল্লেখ করেছে। শেখ হাসিান নাকি সেনাবাহিনীর তরফ থেকে ক্ষমতা দখলের কোন হুমকি না থাকাও সত্বেও শেখ হাসিনা অযথাই খরচ বাড়িয়ে চলেছেন। বাহ্্ কি চমৎকার যুক্তি, যার মাধ্যমে বিএনপি-জামাতের রাজনৈতিক নগ্নতা ফুটে উঠেছে। কথায় আছে না, ‘নিজে চোর হলে বাপকেও বিশ্বাস নেই’। তাদের আমলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের হুমকি ছিল বলেই শেখ হাসিনার শাসনামলেও সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের হুমকির কাল্পকাহিনী স্বপ্নে দেখে ও মানুষকে গেলাতে চায়। মানুষ যখন হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয় কিংবা মরনাপন্ন অবস্থা হয় এবং অতীত যদি হয় কালিমালিপ্ত, রক্ত¯œাত তখনই কেবল আবোল-তাবুল বকে। কল্পনায় অনেক কাহিনী ফাঁদে আর মানুষকে তা বিশ্বাস করতে বলে। ওরা শুধু ভুলে যায় এটা ১৯৭৫ সাল নয়, ২০২১ সাল।
যে সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অকাতরে জীবন দিতে প্রস্তুত। যেকোন জাতীয় দূর্যোগে জনগণের পাশে এসে দাঁড়ায় সেই বাহিনীর চাকুরিরত ও চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কল্যাণের জন্য গঠিত দু’টি প্রতিষ্ঠানের ক্রমাগত সম্পদ বৃদ্ধিতেও তাদের গায়ে জ্বালা ধরে। এই জ্বালা ধরার যৌক্তিক কারণও আছে। আমাদের সেনাবাহিনী হল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ দেশপ্রেমিক বাহিনী। আর বিএনপি-জামাত হল মুুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি। এই বাহিনীর কিছু লোভি, খুনি এবং পাকিস্তানী বুঁদ একশ্রেনীর সেনা কর্মকর্তাকে হাত করে ৭৫-এ বঙ্গবন্ধু

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল