স্কুল খুলেছে তবু প্রাঙ্গণে উপড়ে পড়ে আছে রেইনট্রি – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

স্কুল খুলেছে তবু প্রাঙ্গণে উপড়ে পড়ে আছে রেইনট্রি

প্রকাশিত: ৫:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১

স্কুল খুলেছে তবু প্রাঙ্গণে উপড়ে পড়ে আছে রেইনট্রি

দিনকাল প্রতিবেদন:
স্কুল খুলেছে,শুরু হয়েছে পাঠদান। শিক্ষার্থীদের ছুটোছুটি পদচারণায় ধীরে ধীরে পুরোনো রূপে ফিরছে স্কুল প্রাঙ্গণ। কিন্তু সিলেট নগরীর দূর্গাকুমার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চেহারা ভিন্ন। কারণ প্রাঙ্গণে উপড়ে পড়ে আছে বিশাল আকৃতির পুরাতন রেইনট্রি গাছ । দীর্ঘ আড়াই মাস যাবৎ পড়ে থাকলেও গাছটি অপসারনের কোন উদ্যোগ আজ পর্যন্ত নেয়নি কেউ। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসে গাছ উপড়ে পড়ে থাকলেও এতোদিন কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু খুলে যাবার পর গাছটি এখন শিক্ষার্থীদের সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু।
সরকারী নির্দেশনায় গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ফলে স্কুলে আবারও শুরু হয়েছে পাঠদান। শিক্ষার্থীদের পথচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। কিন্তু বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপড়ে পড়ে থাকা গাছের জন্য নানান সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এমতাবস্থায় যেকোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। এমন অজানা শংকা সকলের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাছটি অপসারণের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বন বিভাগসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত গাছটি অপসারণ করেনি কেউই।
গত ৩০ জুন সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বায়েজীদ খান স্বাক্ষরিত এক পত্রে সিলেট বিভাগীয় বনবিভাগকে রেইনট্রি গাছটি নিলামের জন্য মূল্য নির্ধারণ ও অপসারণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য আবেদন জানানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও গাছটি অপসারণে সিলেট বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ আজ পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেয়নি। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বারবার বলা সত্ত্বেও পড়ে যাওয়া গাছ অপসারনে টালবাহানা করছে বনবিভাগ।
অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময় বিশাল আকৃতির রেইনট্রি গাছটি গত ২৮ জুন ঝড়ে উপড়ে পড়ে যায়। যা আজ পর্যন্ত অপসারণ করা হয়নি। গাছটি পড়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা টিফিন টাইমে ও ছুটির পর গাছের উপর উঠে লাফালাফি, দৌড়ঝাঁপ করে। ফলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। গাছটি দ্রুত অপসারণের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিছ আক্তার জানান, গাছটি অপসারণের জন্য বনবিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত গাছটি অপসারণ করা হয় নি। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত গাছটি অপসারণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল