হাবিপ্রবির উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে অধ্যাপক বিধান চন্দ্র – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

হাবিপ্রবির উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে অধ্যাপক বিধান চন্দ্র

প্রকাশিত: ৫:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১

হাবিপ্রবির উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে অধ্যাপক বিধান চন্দ্র

দিনকাল ডেস্ক ::
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৬ ষষ্ঠ উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালনের আদেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল শাখার উপসচিব মো. নূর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের হিসেবে অধ্যাপক ড মু আবুল কাসেম এর মেয়াদ গত ৩১ জানুয়ারি পূর্ণ হওয়ায় পদ শূন্য হওয়ায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী ভাইস চ্যান্সেলর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার ভাইস চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক ড বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ পেয়েছি এবং আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।’

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার নড়াইল জেলার সদর উপজেলায় ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করে ১৯৭৮ ও ১৯৮০ তে যথাক্রমে প্রথম শ্রেণিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে প্রথম শ্রেণিতে অনার্স এবং ১৯৮৭ সালে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ১৯৮৮-৯২ সাল পর্যন্ত তিনি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা করেন।

এরপর তিনি ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। পরে ২০০৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০০৮ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদন্নোতি লাভ করেন। ২০১০ সালে কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৭টির মত বিভিন্ন প্রকাশনা ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিঃপরীক্ষকসহ দেশে-বিদেশের বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ ও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।