২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ পালন করবে বিএনপি – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ পালন করবে বিএনপি

প্রকাশিত: ৩:২৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৮

২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ পালন করবে বিএনপি

বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জে. (অব) মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটিকে (২৫ ফেব্রুয়ারি) আমরা পালন করব।

রোববার বেলা ১১টার দিকে বনানী সামরিক করবস্থানে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় নিহতদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবুর রহমান বলেন, আজ থেকে ৯ বছর আগে বাংলাদেশে পিলখানায় বিডিআর হেড কোয়ার্টারে অত্যন্ত নারকীয় নৃসংশ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। আমি মনে করি, বিশ্ব ইতিহাসেও এমন দৃষ্টান্ত বিরল। বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক এমন ঘটনা আর ঘটেনি। ৩৬ ঘণ্টায় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল থেকে শুরু করে অনেকেই ৫৮ জন্য অফিসারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তাদের স্ত্রীদেরকেও হত্যা করা হয়। নির্যাতন করা হয়।

তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড তো এমনি হয়নি। আমি মনে করি, এর পেছনে একটা চক্রান্ত ছিল। তারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। নিরাপত্তায় আঘাত হানতে চেয়েছিল। সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। আমরা শোকাহত চিত্তে এখানে এসেছি। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি।

সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, এখনো এ ঘটনার তথ্য সঠিকভাবে উদঘাটন হয়নি। এর নৈপথ্যে কে বা কারা জড়িত ছিল তা এখনো বেরিয়ে আসেনি। অনেকেই অভিযুক্ত হয়েছেন। তাদের শাস্তি হয়েছে। মৃতৃদণ্ড হয়েছে। ফাঁসিও হয়েছে। আরেও যারা এ ঘটনায় অভিযুক্ত তারা এখনো দণ্ডিত হয়নি। এগুলোর একটা সমাধান প্রয়োজন।

এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিচার কাজ ক্রমেই দীর্ঘ সূত্রিতা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বিচারের রায় কার্যকর হয়নি। আমরা এও মনে করি, যারা সেদিন গুলি চালিয়েছিল তাদের হয়তো বিচার হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের পশ্চাতে যারা রয়েছে, যারা এই নীল নকশা করে দেশপ্রেমিক সেনাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের বিচার হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে জনগণের রায়ে বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার সুযোগ পায় তাহলে এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃবিচার করবে। এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, রুহুল আলম চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজীজ উলফাত, কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।