৩রা নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধূর ও কলঙ্কময় দিন : বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত: ৮:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০২২

৩রা নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধূর ও কলঙ্কময় দিন  : বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদ

ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবসে মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

৩রা নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধূর ও কলঙ্কময় দিন

: বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদ

সিলনিউজ বিডি ডেস্ক ::

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদ বলেছেন,
৩রা নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধূর ও কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ৭৫’ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর এটিই ইতিহাসের দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার তিন মাসের অল্প সময়ের মধ্যে ষড়যন্ত্র করে এই নির্মম হত্যাকান্ড ঘটানো হয়। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য নেতা-কর্মীদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে। যাতে এই ধরণের কলঙ্কজনক অধ্যায় আর রচিত না হয়। নেতৃবন্দকে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করেই এগিয়ে যেতে হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩রা নভেম্বর) বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় তালতলাস্থ গুলশান সেন্টারে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন। পরিচালনার পাশাপাশি তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ৩রা নভেম্বর যে কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল তা একদিনে হয়নি। ধাপে ধাপে তারা একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করে।
৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে একটি পিকআপ এসে থামে। তখন রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে দুইটা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সে গাড়িতে কয়েকজন সেনা সদস্য ছিল। কারাগারের মূল ফটকের সামনে আসে এবং ভেতরে প্রবেশ করে। মূল ফটক দিয়ে ঢুকে বাম দিকেই ছিল জেলার আমিনুর রহমানের কক্ষ। তখন সেখানকার টেলিফোনটি বেজে উঠে। মি. রহমান যখন টেলিফোনের রিসিভারটি তুললেন, তখন অপর প্রান্ত থেকে বলা হলো আইজি সাহেবের সাথে প্রেসিডেন্ট কথা বলবেন। আইজি সাহেব আসলেন প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বললেন। প্রেসিডেন্টের সাথে কথা শেষে আইজি সাহেব বললেন যে প্রেসিডেন্ট সাহেব ফোনে বলছে আর্মি অফিসাররা যা চায়, সেটা তোমরা কর।” তারপর চারজনকে একটি কক্ষে একত্রিত করা হয় এবং তাদেরকে হত্যা করা হয়। এভাবেই তিনি ৩রা নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটি.এম হাসান জেবুল, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ শাজাহান, ২৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ছয়েফ খাঁন, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নজু।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ফয়জুর আনোয়ার আলাওর, এডভোকেট প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, মোঃ সানাওর, জগদীশ চন্দ্র দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ,বিধান কুমার সাহা, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তপন মিত্র, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট গোলাম সোবহান চৌধুরী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন লোকমান, যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক সেলিম আহমদ সেলিম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ , উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি , সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ।

মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্যবৃন্দ প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী, মোঃ আব্দুল আজিম জুনেল, নুরুন নেছা হেনা, আজম খান (মজুমদারী), মুক্তার খান, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, রাহাত তরফদার, এমরুল হাসান, সুদীপ দেব, সৈয়দ কামাল, সাইফুল আলম স্বপন, রোকসানা পারভীন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জাফর আহমদ চৌধুরী, তৌফিক বক্স লিপন, জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান সুহেদ, শিপা বেগম শুপা, এডভোকেট তারাননুম চৌধুরী, রকিবুল ইসলাম ঝলক, ইলিয়াছ আহমেদ জুয়েল, সম্মানিত জাতীয় পরিষদ সদস্য এডভোকেট রাজ উদ্দিন, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আব্দুল মালিক সুজন, এনাম উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যেন্দ্র দাস তালুকদার খোকা বাবু, কানাই দত্ত।

অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম রুমেন, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহানারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সাবিনা সুলতানা।

ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতিবৃন্দ মুফতি আব্দুল খাবির, গৌসুল আলম, আব্দুর রব হাজারি, মোঃ আব্দুল হামিদ, মুহিবুর রহমান সাবু, জালাল উদ্দিন শাবুল, সালউদ্দিন বক্স সালাই, রোকন আহমদ, দেলোওয়ার হোসেন রাজা, ইসমাইল মাহমুদ সুজন, ডাঃ আব্দুল ওয়াহিদ,ফয়সল আক্তার, আনসার আহমদ কয়েছ, মোঃ ছয়েফ খাঁন, ও সাধারণ সম্পাদবৃন্দ সৈয়দ আনোয়ারুস সাদাত, তাজ উদ্দিন লিটন, সোয়েব বাসিত, এম.এ খান শাহীন, জাহিদুল হোসেন মাসুদ,, এডভোকেট মোস্তফা দিলোয়ার আজহার, শেখ সুরুজ আলম, মোঃ বদরুল ইসলাম বদরু, মানিক মিয়া, চন্দন রায়, আহমেদ হান্নান, রুমেল আহমদ রুমিন, মইনুল ইসলাম মঈন, ফজলে রাব্বি মাসুম, শেখ সোহেল আহমদ কবির, জাবেদ আহমদ, গোলজার আহমদ জগলু সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ।

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন রায়নগর বায়তুল বরাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মওলানা আবিদ হাসান রাহমানি । দোয়া মাহফিলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল নিহত সদস্য, জাতীয় চার নেতা, মহানগর আওয়ামী লীগের নিহত অন্যান্য নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সুদীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা সহ দেশ ও জাতি এবং বিশ্বের শান্তি কামনাও করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলওয়াত করেন হাফিজ মওলানা আবিদ হাসান রাহমানি ও পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

ফেসবুকে সিলেটের দিনকাল