৩০০ আসনে আলীগের সম্ভাব্য চূড়ান্ত প্রার্থী: বাদ পড়েছেন ৮০ এমপি – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

৩০০ আসনে আলীগের সম্ভাব্য চূড়ান্ত প্রার্থী: বাদ পড়েছেন ৮০ এমপি

প্রকাশিত: ১১:৪০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০১৭

৩০০ আসনে আলীগের সম্ভাব্য চূড়ান্ত প্রার্থী: বাদ পড়েছেন ৮০ এমপি

সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী রাখছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচন নিয়ে বিএনপি’র ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী কুট-কৌশলের ওপরই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতার বিষয়টি। এ জন্য বিএনপি’র প্রতি ক্ষমতাসীন দলটির সর্তক পর্যবেক্ষণও রয়েছে। বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করলে আওয়ামীও এককভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে। এ চিন্তাভাবনা থেকেই হাইকমান্ড ৩০০টি সংসদীয় আসনেই প্রার্থিতা চূড়ান্ত করে রাখছে। অপরদিকে, বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে জোটগতভাবে লড়াইয়ে নামলে আওয়ামী লীগও বর্তমান শরীকদের নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে দলীয় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবে। সম্ভাব্য ওই আসনগুলোতে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে।

যদিও মনোনীত এসব প্রার্থীদের সময়মতো জোটের প্রশ্নে ছাড় দেয়ার মানসিকতায় নিজেদের তৈরি রাখার ইঙ্গিত থাকছে। এ প্রার্থী তালিকার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে গোটা নির্বাচনী লড়াইয়ের হিসাব-নিকাশের ওপর। বিএনপি আবারও নির্বাচনী অংকে ভুল করবে না। তারা বিগত নির্বাচন বর্জন করে যে ভুল করেছে সেথেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে তাদের কথাবার্তায়। আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তা কেবল বিএনপির অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই হতে পারে। বহুবিধ কারণে ১৯৯১ সালের পর আগামী বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন। হাইকমান্ড এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। তাছাড়া নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট সংখ্যক জনপ্রিয় নারী প্রার্থীদের এবার মনোনয়ন দিবেন বলে নিশ্চিত। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, অধিকাংশ স্হানীয় এমপি আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন পাবে না। দলীয় কোন্দল সৃষ্টি, ত্যাগী স্হানীয় নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়ন ও জনসমর্থন কমে গেছে বলে এসব সিটিং এমপি মনোনয়ন পাচ্ছে না।

আওয়ামী লীগ শরীক দল জাতীয় পার্টিসহ অপর ১৪টি দলের সঙ্গে আসনভিত্তিক আঁতাত গড়ে তুলবে। সেক্ষেত্রে তাদের বর্তমান আসনগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারকার্যের দিকটি গুরুত্ব দিয়ে এককভাবেই নির্বাচন করতে পারে বিএনপি। ‘৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ন্যায় নির্দিষ্টসংখ্যক আসনে জামায়াতের সঙ্গে পরোক্ষভাবে আঁতাত করতে পারে দলটি। গোয়েন্দা সূত্রগুলো সরকারকে বিএনপির নির্বাচনমুখী সকল তৎপরতার ওপর নজর রাখতে বলা হয়ে সরকারের হাইকমান্ড থেকে। এদিকে সরকারের হাইকমান্ড গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণপূর্বক ৩০০ আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রাখা হয়েছে । নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থি তালিকা

তৈরির ক্ষেত্রে শরীক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসন প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরীক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে।নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়। হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই,তবে,”অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা” নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো:

ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু, ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল, ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা ,ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ ডা: দীপু মনি ,ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ, ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী,নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত, নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম। গাজীপুর-১ আকম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান দুর্জয়,গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। মুন্সিগঞ্জ-১ ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু, মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম, মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র। গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম,গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম,শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ ডাঃ দিলীপ রায়, ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী। কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল,

কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব। চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪, চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী। চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী, চাঁদপুর-৪ শফিকুর রহমান, চাঁদপুর-৫ নূরজাহান বেগম। দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী,দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১ আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়। কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী,কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২ সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান, রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২ সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন।

রাজশাহী-১ মতিউর রহমান, রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ, টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ তারানা হালিম, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়। মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩ উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি।

সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন, সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া,হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ ।

সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক।

মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২, মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

পাতা-৪ নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী। লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪। ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন নাসির। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার। জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

মনোনয়নের তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন ৮০ এমপি

দলের এক গোপন জরিপ তালিকায় মনোনয়ন হারানোর তালিকায় ৮০ জন এমপির নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানায় জাতীয় সংসদের একাদশ নির্বাচনে সম্ভাব্য জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বিএনপির অংশগ্রহণকে সামনে রেখে যেসব এমপি এলাকায় বিতর্কিত, জনসম্পৃক্ততা বিচ্ছিন্ন এবং যথাযথ উন্নয়ন কার্যক্রম না হওয়াসহ নানাভাবে নিন্দিত হয়েছেন তাদেরকে বাদ দিয়ে যাদের জনসম্পৃক্ততা আছে এ রকম মন্ত্রী-এমপিদেরকেই শুধু সম্ভাব্য মনোয়ন তালিকায় রেখে বিভিন্ন সংস্থার গোপন জরিপের মাধ্যমে ৮০ জন এমপিকে প্রতিস্থাপনের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। জানা গেছে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন হারানো এমপিদের তালিকায় রাজধানী ঢাকার ১৬ আসনেরও ৩-৪জন এমপি রয়েছেন-যাদেরকে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে। রাজধানী ঢাকার বাইরে সাভার এলাকারও একজন প্রভাবশালী ও বিত্তশালী এমপিসহ ঢাকা জেলার একাধিক আসনের মনোনয়নে পরিবর্তন এনে এসব আসনে জনসম্পৃক্ত এবং দলীয় রাজনীতির সঙ্গে নিবেদিত নেতা-সংগঠকদের মনোনয়ন দেয়ার প্রাথমিক তালিকা প্রনয়ণ করেছে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।গোপন জরিপের মাধ্যমে কক্সবাজার আসনের একজন বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত, নিন্দিত এমপিকে বাদ পড়ার তালিকায় নিশ্চিত করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগরীরও বেশ কয়েকজন এমপিকে মনোনয়ন থেকে বাদ পড়ার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে এলাকার সঙ্গে তাদের জনবিচ্ছিন্নতা এবং তাদেরকে ঘিরে বিভিন্ন তর্ক-বিতর্কের কারণে। রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি আওয়ামী লীগের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি টাঙ্গাইলের মনোনয়ন তালিকা থেকেও বহুল বিতর্কিত ও নিন্দিত একজন এমপিকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে সেখানের জনসম্পৃক্ত প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী বিভাগেরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের এমপিদের বাদ দিয়ে এখানের জনসম্পৃক্ত এবং অনেক ক্ষেত্রে তরুণ প্রার্থীদেরকে প্রাধান্য দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আর নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিলেট বিভাগের অনেক আসনেই এবার পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন সিলেট বিভাগের একজন নিবেদিত প্রাণ আওয়ামী লীগ নেতা-যিনি একবার সিলেটে বিভাগের একটি আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী হয়েছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, সিলেট বিভাগের বেশ কয়েকটি আসনের এমপিদের জনবিচ্ছিন্নতার কারণে তাদের নাম বাদ পড়ার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন হারানোর এ তালিকাকে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নেতাদের একজন ‘ক্রস লিষ্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে জানান নানা কারণেই আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ-কারণে যে টানা ২ টার্ম পূর্ণ করেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি যাই বলুক না বলুক-আর যে ধরনের সরকারের অধীনেই নির্বাচনের দাবি তুলে মাঠ গরম রাখুক না কেন-তারা যে কোনো মূল্যে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে-এ ব্যাপারে সরকার নিশ্চিত। তাই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনী লড়াইতে টিকে থেকে আওয়ামী লীগ যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আবার সরকার গঠন করতে পারে-সে বিবেচনার আলোকেই এবারের মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করতে উচ্চপর্যায়ের সংস্থার গোপন জরিপের মাধ্যমে সব ধরনের বিতর্কিত এবং নিন্দিত, এলাকার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন এমপিদের বাদ দিয়ে সেখানের যোগ্য, সৎ, দুর্নীতিমুক্ত এবং জনসম্পৃক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

 

সূত্র: বিডিবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম