নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে: খালেদা জিয়া – দৈনিক সিলেটের দিনকাল

নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে: খালেদা জিয়া

প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৭

নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে: খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই দিতে হবে। নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

রবিবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সমাবেশে তিনি একথা বলেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে খালেদা জিয়া বলেন, নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। রাস্তায় যানজট তৈরি করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, আমি যাতে সমাবেশে আসতে না পারি সেজন্য গুলশানে দেখলাম খালি বাস দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাসে চালক নেই, যাত্রী নেই। কিন্তু বাসগুলো রাস্তায় দাঁড় করে রাখা হয়েছে। এরা যে এতো ছোট মনের তা এর মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, এতো ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে মত পার্থক্য থাকবে, কিন্তু দেশের জন্য এক হয়ে কাজ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের বাইরে এজেন্সির লোক পাঠিয়ে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

সরকার অঘোষিতভাবে বাকশালকে কায়েম করতে চায়-এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ভয় পায়, এরা মানুষকে ভয় পায়, জনগণকে ভয় পায় বলে যেমন একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল, তেমনি এক দলীয় শাসন কায়েম করতে চায়। তারা জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ছাড় দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বলেছি আমি তাদের ক্ষমা করে দেব। কিন্তু জনগণ জানে, এরা কত অবিচার করেছে। জনগণ সেটা মানতে রাজি নয়। তারপরও বলেছি। আমরা দেশে সুষ্ঠু এবং সুন্দর এটা রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাই। কেননা আমাদের রাজনীতি বহুদলীয় ঐক্যের রাজনীতি।

সমাবেশে ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের ভিড়ে দুপুর থেকেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা সোয়া ৩টার দিকে খালেদা জিয়া সমাবেশ মঞ্চে আসেন। তার বক্তব্য শুরুর পর কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বক্তব্যের কিছু অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে সমাবেশস্থল থেকে সরাসরি কোন টেলিভিশন সমাবেশের কার্যক্রম সম্প্রচার করেনি।

এদিকে সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসতে থাকেন। দুপুরের পর সমাবেশস্থল ছাপিয়ে নেতাকর্মীদের ঢল আশপাশের সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। বেলা দেড়টার পর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

 

 

 

 

 

 

শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না: খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের অধিকারও ফিরিয়ে দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নির্দলীয় সরকার। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না, হবেও না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রবিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত বিএনপির সমাবেশে বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিনি আগামী নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের কথায় কান না দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনে লক্ষ্যে ভূমিকা রাখুন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোনো ইভিএম ব্যবহার করা চলবে না।

তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের অধিকারও ফিরিয়ে দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নির্দলীয় সরকার।

মানুষ পরিবর্তন চায় মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম হত্যা করছে। তাদের ওপর নানা রকম জুলুম করছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে গুম, খুন ও নির্যাতন বেড়ে গেছে। তারা দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জনগণ আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়। আর সেই মুক্তির লক্ষ্যেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে।

তিনি এও বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আওয়ামী লীগের জুলুম ক্ষমা করে দেয়া হবে। কোনো ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতি করবে না বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, বিচারবিভাগকে পুরোপরি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই অন্যায়ভাবে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং তা করা হয়েছে বিদেশে সরকারের এজেন্সির লোক পাঠানোর মাধ্যমে। এ কারণে তিনি দেশে আসতে পারেননি। ফলে দেশ আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে।সরকারি চাকরিজীবীদের নির্ভয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি নেত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারি চাকরিজীবীদের ভয় দেখাচ্ছে। তারা বলছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি চলে যাবে। ক্ষমতায় গেলে বিএনপি কারো চাকরি কেড়ে নেবে না। সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা দেখা হবে। কারো চাকরি খাওয়া হবে না। এবিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।

আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে- বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মানুষ হত্যা করবে। আমরা মানুষ হত্যা করি না, মানুষ হত্যা করে আওয়ামী লীগ। এটা আওয়ামী লীগের কাজ, বিএনপির নয়।

এসময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সমাবেশ সফল যেন না হয় এজন্য অনেক বাধা দেয়া হয়েছে। এমনকি আমিও যাতে আপনাদের সামনে পৌঁছাতে না পারি এজন্য গুলশানে বাস দিয়ে রাস্তা আটকে রাখা হয়। তিনি বলেন, এই হলো সরকারের অবস্থা। এরা যে কত ছোট মনের তা প্রমাণ করে দিয়েছে। এতো ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। এ জন্য বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ছেলেদের প্রতিনিয়ত সরকার জেলে পুড়ছে।

এর আগে বেলা ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌছালে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সমাবেশস্থল। এর আগে রবিবার দুপুর ২টার পর গুলশানের ‘ফিরোজা’ বাসা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে রওনা দেয়।

প্রায় দুই বছর পর প্রকাশ্য সমাবেশে খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েকদিন থেকেই ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফলরুলসহ দলের সিনিয়র নেতারা আগেই বলেছেন, এই সমাবেশে খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দেবেন।

এদিকে সকাল থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানী ঢাকামুখী বাস চলাচল আজ সকাল থেকে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল অভিযোগ, ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে যাতে নেতাকর্মীরা আসতে না পারেন, তার জন্যই যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এতে কোনো কাজ হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-মাওয়া, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল পথে গাড়ি চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে।

এতে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন যাত্রীরা। বাইরে থেকে আসা গাড়ি যাত্রীশূন্য করে সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগও পাওয়া গেছে। অন্য সময় বাস না চললেও সিএনজিচালিত অটোরিকশা, টেম্পো বা লেগুনা চলাচল করে থাকে। সকাল থেকে এগুলো পাওয়াও কঠিন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। এদিকে রাজধানী ও আশপাশের জেলাশহরে থমকে গেছে জনজীবন। সর্বত্রই যেন অঘোষিতভাবে পরিবহন ধর্মঘট চলছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

আমার আসার পথও বন্ধ রাখা হয়েছিল : খালেদা জিয়া

আওয়ামী লীগ সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এরা যে এত ছোট মনের আজকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো প্রমাণ করে দিয়েছে। এত ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। এরা মানুষকে ভয় পায়। এ জন্য ৭ নভেম্বর আমাদের জনসভা করতে দেয়নি। আজকে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু জনগণ যেন আসতে না পারে সেই ব্যবস্থা করেছে। গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি আমিও যেন সমাবেশে আসতে না পারি সেই ব্যবস্থাও করেছে। গুলশানে দেখলাম খালি বাস দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

রবিবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি সভামঞ্চে ওঠেন। এর আগে দুপুর পৌনে দু’টার দিকে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়।

এদিকে সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে দলে দলে নেতাকর্মী আসতে শুরু করেছেন। দীর্ঘদিন পর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পেয়ে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করছেন। আশপাশের পুরো এলাকা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে এ সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে দুপুর ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দীমুখী নেতাকর্মীদের ঢল শুরু হয়।

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের মত ও পথের পার্থক্য থাকবে। কিন্তু দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে এক হতে হবে।

বিএনপি নেত্রী বলেন, আমরা জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছি, আসুন। বহুদলীয় গণতন্ত্রে বহু মত ও পথের পার্থক্য থাকবে, কিন্তু দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে এক হতে হবে। এই কাজ করলেই জনগণের কল্যাণ, দেশের উন্নতি করা সম্ভব।

খালেদা জিয়া বলেন, আজকে ঘরে ঘরে মানুষের কান্না আর আহাজারি। মানুষ আজকে অত্যাচারিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। তাই এদের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়। মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন আমরা বলি আসতে হবে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, ভোটের মধ্য দিয়ে আসতে হবে। এই জন্য মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

সমাবেশ মঞ্চে খালেদা জিয়া, স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশের জনসমুদ্রের মঞ্চে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রবিবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটে তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে উপস্থিত হন। রবিবার দুপুর ২টার পর গুলশানের ফিরোজা বাসা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে রওনা দেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌছালে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সমাবেশস্থল।

সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। প্রায় দেড় বছর পর প্রকাশ্য সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেছেন, এই সমাবেশে খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দেবেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানী ঢাকামুখী বাস চলাচল আজ সকাল থেকে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে। সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

বিএনপির অভিযোগ, ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে যাতে নেতাকর্মীরা আসতে না পারেন, তার জন্যই যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এতে কোনো কাজ হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

বিএনপির সমাবেশে সিলেট যুবদলের মিছিল নিয়ে যোগদান

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে খালেদা জিয়া

পথে পথে ‘পুলিশের বাধা’, বিএনপির নেতাকর্মী আটক

গাজীপুরে হঠাৎ বাস বন্ধ, বিএনপির ২৭ নেতাকর্মী আটক

জাসাসের অনুষ্ঠান দিয়ে সমাবেশ শুরু

রাজধানীতেও পরিবহন সংকট, বাসে তল্লাশি