দু’দিন পর প্রধানমন্ত্রীত্ব চেয়ে বসবেন না তো ডা. ফেরদৌস ।। এফ এইচ ফারহান

প্রকাশিত: ৪:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ৯, ২০২০

দু’দিন পর প্রধানমন্ত্রীত্ব চেয়ে বসবেন না তো ডা. ফেরদৌস ।। এফ এইচ ফারহান

 

আমিও ডা. ফেরদৌস’র ফলোয়ার্সদের একজন, বেশ পছন্দ করি। নিউইয়র্কে দু’জন কাছের মানুষ তার কাছ থেকে উপকৃত হয়েছেন। সেই হিসেবে অনেকটা কৃতজ্ঞও বলা যায়৷ কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মিনিট-দুয়েক পূর্বে তার ফেসবুক পেইজকে কালো তালিকায় নথিভুক্ত করার সু-কর্ম সাধন করলাম। বস্তুতপক্ষে তিনি ইশারা-ইঙ্গিতে বোঝাতে চান যে, তাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে বসিয়ে শেখ হাসিনার এখন অবসরে যাওয়া উচিত।

 

ডা. ফেরদৌস খন্দকারের বাংলাদেশে এসে নিজ মাতৃভূমির মানুষের জন্য কাজ করতে চাওয়াটা নিঃসন্দেহে ভালো কিছু ; এতে বিরোধিতা করা অনুচিত, সম্ভব হলে তাকে অনুপ্রেরণা দেয়া উচিত। তবে বিমানবন্দরে নির্ধারিত ট্যাক্স না দিয়ে সেখানকার কর্তৃপক্ষকে নিজের বল দেখানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়াটাও মূর্খতার শামিল।

 

যাহোক, বিরোধিতার বীজ কারা বুনেছে? যাদের উপর ভর করে তিনি বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারাই ; তারাও পেশায় ডাক্তারই !

 

এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর প্রায় অধিকাংশ দেশের সকলেই করোনা ভাইরাসের সাথে পরিচিত। কেউ বেশি, কেউ কম। তাই ডা. ফেরদৌস যদি সত্যিকার অর্থেই এখানকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে থাকেন, সেক্ষেত্রে তার উচিত হবে মেকি অযুহাত কিংবা তাল-বাহানায় কাল বিলম্ব না করে স্থানীয় চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সাথে সমন্বয় রেখে নিজ কাজে মনোনিবেশ করা। উদ্দেশ্য সৎ হলে তিনি অবশ্যই তার কর্মের সুফল পাবেন। আলোচনা-সমালোচনা যেকোনো কাজে থাকবেই। অপরদিকে বাংলাদেশের ডাক্তাররাও শুধু পানি খেয়ে বড় হয় নাই যে, ডা. ফেরদৌস ছাড়া বাংলাদেশ চলবে না।

 

সিস্টেমে সমস্যা আছে, ঘাটতিও আছে। সেটা সংশোধন করার ভার ডা. ফেরদৌসকে কেউ দেয়নি। ব্যাকগ্রাউন্ডের বিষয়টা বাদই দিলাম।

 

লেখক : এফ এইচ ফরহান, কলামিস্ট [ ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত ]